আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত৩ মেঃ খান বাহাদুর মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইল এর ৩১তম মৃত্যু বার্ষিকী। মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইল ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। ফরিদপুরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি বাংলা ১৩০০ সালে পহেলা বৈশাখ জন্ম গ্রহণ করেন। ১১০ বছর আয়ু পেয়েছিলেন তিনি। তার পূর্ব পুরুষরা এসেছিলেন ইরানের খোরাসান থেকে। খান বাহাদুর মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইল রাজনীতি ও সমাজ সেবায় বহু অবদান রেখেছেন। তিনি দুই দশক ধরে ফরিদপুর বার এসোসিয়েশনের এবং মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠতম আইনজীবী। মুসলিম লীগের হয়ে ভারতীয় মুসলমানদের স্বাধীনতার জন্যে তার অবাদ ও আত্মত্যাগ চির স্মরণীয়। তিনি ফৌজ-ই-ইসলাম এবং কলিকাতা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইলের ২ কন্যা মরিয়ম বেগম এবং শামসুন্নাহার বেগম পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। অন্যান্য সন্তানরাও শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছেন। খান বাহাদুর মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইল তার বিভিন্ন কৃতিত্বের জন্যে স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছেন।
জেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪
মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে