অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মবার্ষিকী : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মরণোৎসব

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১১ জুলাই ২০২৬ শনিবার: ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ধারণ করা কালজয়ী পঙ্‌ক্তি, ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ/দুপুর বেলার অক্ত/বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়?/বরকতের রক্ত-এর রচয়িতা এবং বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬।

স্বতন্ত্র কাব্যভাষা, গভীর জীবনবোধ এবং লোকজ ঐতিহ্যের সৃজনশীল ব্যবহারের মাধ্যমে আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য ও সাংবাদিকতায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ। আজ সমাপনী দিনে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সাহিত্যবিষয়ক নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ষাটের দশকে লোক লোকান্তরকালের কলস কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলা কবিতায় নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত সোনালি কাবিন তাঁকে বাংলা সাহিত্যের শীর্ষস্থানীয় কবিদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ভাটি বাংলার নদী, চরাঞ্চলের জীবন, গ্রামীণ প্রেম-বিরহ, লোকজ সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং আঞ্চলিক ভাষার শিল্পিত ব্যবহারে তাঁর কবিতা বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।

কবিতার পাশাপাশি কাবিলের বোন, পানকৌড়ির রক্তকবি ও কোলাহলসহ অসংখ্য গ্রন্থের মাধ্যমে কথাসাহিত্যেও তিনি সমান কৃতিত্বের পরিচয় দেন। সাংবাদিক হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য আল মাহমুদ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ দেশ-বিদেশের বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তবে তাঁর কবিতা, সাহিত্যকর্ম ও জীবনদর্শন আজও বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও অনুপ্রেরণার উৎস।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

সাহিত্য এবং সংস্কৃতি

সংস্কৃতির ইংরেজি ‘কালচার’। বাংলায় ‘কৃষ্টি’।  আরবিতে ‘তামাদ্দুন’।  এই ছোট শব্দটিকে নিয়েই পৃথিবী গড়ে উঠেছে। শব্দটির সহজ কোন ব্যাখ্যা নেই।  এই শব্দটির মধ্যে আমাদের জাতীয় জীবন, আমাদের সাহিত্য,

ঢাকা ব্যাংক-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫

ঢাকা ব্যাংক-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ এ কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, শিশু সাহিত্য ও প্রথম বই-এই পাঁচ শাখায় মোট ৮ জন লেখককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান গতকাল চ্যানেল আই ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

বই মেলার ইতিহাসে বাংলাদেশ

মানুষ চিন্তাশীল এক আশ্চর্য প্রাণী। সে শুধু চিন্তাই করে না, চিন্তার বাস্তবায়নও করে। প্রথমে ভাষা, তার পর লেখা, ছাপানো বই, তার পর আবার বইমেলা! পাঠক-ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার নানান কায়দা-কানুন। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, এই বইমেলার ইতিহাস কমপক্ষে ৫০০ বছরের পুরনো ইতিহাস। পৃথিবীতে প্রথম বইমেলার শুভ সূচনা হয় জার্মানিতে, যা ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা নামে সুপরিচিত। মাত্র পাঁচ দিনের বইমেলা। প্রথম তিন দিন ব্যবসায়ীদের জন্য। পরের দুই দিন সবার জন্য উন্মুক্ত।