অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

খামেনির দাফনের পর ক্ষোভে ফুঁসছে ইরান : মার্কিন হামলার জবাব দেয়া হবে

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১১ জুলাই ২০২৬ শনিবার: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রায় ৫০ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো একজন সর্বোচ্চ নেতার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় চার দশক দেশ পরিচালনার পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হলেও, একই সময়ে মার্কিন হামলার ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ ও প্রতিশোধের দাবি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হামলা চালায়। বুধবার, যখন তেহরানে খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল, তখনই দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। গত নয় মাসে দুটি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা পাওয়া ইরানিদের কাছে এই হামলা নতুন করে উদ্বেগ ও ক্লান্তি তৈরি করেছে।

ইরান সরকারের দাবি, আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্যে এক কোটির বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন। যদিও স্বাধীনভাবে এ সংখ্যা যাচাই করা যায়নি, তবে তেহরানের প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে লাখো মানুষের শোকমিছিল দেখা গেছে। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষের হাতে ছিল শাহাদাত ও প্রতিশোধের প্রতীক লাল পতাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানি জনগণকে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এলেও খামেনির শেষকৃত্যে বিপুল জনসমাগম সেই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

জানাজায় অংশ নেওয়া নাফিসা সাদাত সাদরি সিএনএনকে বলেন, তিনি খামেনিকে নিজের বাবার চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন এবং তার মৃত্যুতে নিজেকে আবার পিতৃহীন মনে হচ্ছে। আরেক অংশগ্রহণকারী মাহতাব এহসানি নেতার হত্যার প্রতিশোধের দাবি জানান। তেহরানের ধর্মীয় নেতা কাসেম কালাতেহ বলেন, ট্রাম্পকে হত্যা না করা পর্যন্ত তারা শান্ত হবেন না। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফও। তার ভাষায়, এই সপ্তাহ শুধু শোকের নয়, প্রতিশোধের অঙ্গীকারেরও প্রতীক।

এদিকে যুদ্ধের পাশাপাশি ইরান তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বেকারত্ব প্রায় ৮ শতাংশ এবং বিশ্বব্যাংকের হিসাবে মূল্যস্ফীতি ৪০ শতাংশের বেশি। দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বৈদেশিক গ্রাহকনির্ভর অনেক ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে অর্থনৈতিক সংকট সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার বিরোধিতা করছেন অনেক ইরানি। তেহরানের মোসাল্লা মসজিদের দেয়ালে লেখা হয়েছে, শয়তানের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির দিকে ঢিল ছোড়ার ঘটনাও দেখা গেছে।

ইরানিদের একাংশের মতে, অতীতে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সরে যাওয়ার কারণে ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই মার্কিন হামলা ও সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

আল-আকসার খতিব ও গ্র্যান্ড মুফতিকে আটক করেছে ইসরায়েল

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ ও খুতবা শেষে জেরুজালেম এবং ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেইনকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াফা (WAFA) স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার আল-আকসা মসজিদে

ইরানের পক্ষে হুথিদের হুঁশিয়ারি : মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করলেই হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেনের ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি যুক্তরাষ্ট্র ও প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার পর হুথিরা বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করা হলে পুরো পশ্চিম এশিয়াকে সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হবে এ

মাশহাদে আলী খামেনির দাফন শোক সমাবেশে ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান

দীর্ঘ এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা গণ-জানাজা ও শোক মিছিল শেষে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা আ. এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই ২০২৬ দাফন সম্পন্ন হয়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মার্কিন হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের পাল্টা আঘাত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কৌশলগত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। হামলার পর বাহরাইনজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে