আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত১
অক্টোবরঃ পাক-ভারত উপমহাদেশের
ইসলামী আন্দোলনের পথিকৃত আল্লামা আব্দুর রহীম রাহ. ১৯১৮
সালের ২ মার্চ পিরোজপুর
জেলার কাউখালী থানার শিয়ালকাঠি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম
পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩৪ সাল
থেকে শর্ষিণা আলিয়া মাদরাসায় পাঁচ বছর শিক্ষা
লাভের পর ১৯৩৮ সালে
কৃতিত্বের সাথে আলিম পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ হন। পরে কলিকাতা
আলিয়া মাদরাসা থেকে ১৯৪০ সালে
ফাযিল এবং ১৯৪২ সালে
কামিল প্রথম শ্রেণীতে পাশ করে ‘মুমতাজুল
মুহাদ্দিসীন’ উপাধীতে ভূষিত হন। তিনি রাজনীতিতে
প্রথমে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে ১৯৫০
সালে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী এবং ১৯৫৬ সালে
প্রথম নির্বাচিত আমীরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তার সাথে
জামায়াতে ইসলামীর নীতির বিরোধের কারণে তিনি ১৯৭৬ সালে
বিভিন্ন দলকে নিয়ে ইসলামিক
ডেমোক্রেটিক লীগ (আইডিএল) গঠন
করে তার চেয়ারম্যান নির্বাচিত
হন। তিনি ১৯৮৯ সালে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ
সদস্য হন এবং আইডিএল
এর পার্লামেন্টারী গ্রুপের নেতা হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেন। ১৯৮২ সালে তিনি
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। শেষ জীবনে তিনি
আইডিএল এর নাম পরিবর্তন
করে ইসলামী ঐক্য আন্দোলন গড়ে
তুলেন এবং শেষ পর্যন্ত
তিনি এর আমীরের দায়িত্ব
পালন করেন। ১৯৮৭ সালের ১
অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন।
ইসলামের খিদমত এবং দেশের জন্য
তিনি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখে গেছেন তার বিনিময়ে আল্লাহ
যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস
দান করেন। আমীন।
জেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪
মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে