আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত১১
মার্চঃ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে এ দেশ ও জনগণের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিকসহ
সার্বিক উন্নয়নে সাংগঠনিক ভাবে কিছু করা উচিত এই ভাবনা তরুণ কাসিমকে সারা দিন
রাত্রি চিন্তার চৈতন্যে তাড়িত করতে থাকে। এ অবস্থায় আবুল কাসেম তৎকালীন তার ঢাকার
আজিমপুরের বাসায় ১ সেপ্টেম্বর এক ঘরোয়া আলোচনা সভার আহবান করেন। সে সভায় কাসেম
সাহেবের আহবানে তমদ্দুন মজলিস নামে একটি আদর্শবাদী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জন্ম লাভ
করে। সে সময় তমদ্দুন মজলিস দেশের সকল শ্রেণীর জনগণকে আদর্শবাদী চেতনা দেখাতে
পেরেছে। ১২ নভেম্বর সাহিত্য সভায় কয়েকজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা
করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দাবী উত্থাপন করা হয়। যা উপস্থিত মন্ত্রীরাও সমর্থন
করেন। ৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সালে প্রদেশের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনের বাসভবনে
মিছিল নিয়ে ঘেরাও এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয় অধ্যাপক কাসেমের নেতৃত্বে। ৬
ডিসেম্বর তার সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলতলায় উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা
করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সভা ও বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বাংলাকে সরকারী ভাষা
হিসেবে চালু করার আইন বাস্তবায়নের জন্য অধ্যাপক আবুল কাসেমের প্রতিষ্ঠিত ও
পরিচালিত ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র সাপ্তাহিক সৈনিক ও বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে
তমদ্দুন মজলিস বারবার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে সর্বত্র বাংলা প্রচলনের দাবী
তোলেন। বাংলা একাডেমী কার্যকরী সংসদের সদস্য হিসেবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ও তার
সঙ্গীরা প্রতিবাদ করে বাংলার মাধ্যমে কাজকর্ম পরিচালনার প্রস্তাব পাশ করেন। তিনি
এক অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তি ছিলেন।
জেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪
মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে