আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ মে ২০২৬ বুধবার: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল বাজার আইন (ডিএমএ) লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলের বিরুদ্ধে কয়েকশ কোটি ইউরো পর্যন্ত জরিমানা আরোপের প্রস্তুতি চলছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম হ্যান্ডেলসব্লাট এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন। আগামী গ্রীষ্মে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইউরোপীয় ডিজিটাল বাজার আইনের বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করেনি। এই আইনের লক্ষ্য হলো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধি করা।
ইউরোপীয় কমিশনের তদন্তে দেখা গেছে, গুগল সার্চ ফলাফলে নিজেদের বিভিন্ন সেবাকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের সেবার তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এছাড়া তাদের অ্যাপ মার্কেটপ্লেসে ব্যবহারকারীদের বিকল্প সেবা ব্যবহারের সুযোগও সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চে শুরু হওয়া তদন্তের এক বছর পর কমিশন জানায়, গুগলের কার্যক্রম আইনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কমিশনের ভাষ্য, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক অগ্রগতি পাওয়া যায়নি।
তবে গুগলের দাবি, কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে, কিন্তু এসব পরিবর্তন ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এর আগে প্রতিযোগিতা আইন সংক্রান্ত একাধিক মামলায়ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তদন্ত ও জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে গুগল।
সংস্কার/ইএমই
ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, এটি ভবিষ্যতের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এআই-ভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে
দেশে অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টালের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব নিবন্ধনবিহীন পোর্টাল মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, অপপ্রচার, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন, ব্ল্যাকমেইল, সাইবার চাঁদাবাজি, গুজব ছড়ানো, ভুয়া বিজ্ঞাপন, আর্থিক প্রতারণা এবং তথ্য চুরিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক পোর্টালের সঙ্গে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যতের শিল্পখাতের চাহিদা পূরণে উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের সংস্কার শুরু করেছে চীন। জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম পুনর্গঠন করা হচ্ছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার উদ্ধৃত শিক্ষা
ইউরোপের অনেক তরুণ এখন ব্যক্তিগত ও মানসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ইপসোস বিভিএ-এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৮০০ তরুণের মধ্যে ৫১ শতাংশ জানিয়েছেন, মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে