আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত১৬
জানুয়ারীঃ বাংলাদেশের মুসলমানদের স্বাধিকার, স্বাধীনতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা
ও পুনর্জাগরণের অভিভাবক নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারী ইন্তেকাল করেন।
১৮৬৬ সালে তিনি ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই গভীর ধর্মানুরাগী
সলিমুল্লাহ নাকমরা উস্তাদগণের তত্ত¡াবধানে আরবী, ফার্সী, ইংরেজী ও বাংলা ভাষায় শিক্ষা
লাভ করেন। ১৮৯৩ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের পদমর্যাদার মধ্যদিয়ে কর্মজীবন শুরু হয়।
১৯০১ সালে পিতার মৃত্যুর পর সরকারী চাকুরী ত্যাগ করে তিনি নবাব এস্টেটের দায়িত্ব গ্রহণ
করেন। এ সময় থেকে তিনি নওয়াব উপাধী ব্যবহার করতে থাকেন। তিনি রাজনীতিতে পদার্পন করে
১৯০৪ সালের ২৫ জানুয়ারী ‘মুসলিম সুহৃদ সংঘ’ গঠন করে পূর্ব বাংলার সতন্ত্র প্রদেশ সৃষ্টির
দাবী করেন। তার দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে ইংরেজ সরকার ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গ-ভঙ্গ আইন
পাস করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম সমন্বয়ে একটি আলাদা প্রদেশ সৃষ্টি করেন এবং ঢাকাকে এর রাজধানী
ঘোষণা করেন। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন শেষে তারই
প্রস্তাবে মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ গঠিত হয়। তার এই রাজনৈতিক দুরদর্শিতার
কারণে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামক দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে
৭১ সালে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। আজকের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের
মূল কারিগর নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ। তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
জেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪
মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে