অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

টিপু সুলতানের ইন্তেকাল

৩ মেঃ ইংরেজ বেষ্টিত ভারতে মোঘল আধিপত্য বলয়ের বাইরে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র কায়েমের সফল স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন টিপু সুলতান। তাঁর অবস্থান ছিল স্বাধীনতার পক্ষে আর সে কারণেই বেনিয়া ইংরেজদের মোকাবেলায় তিনি সম্মুখ যুদ্ধে বীরের মত শাহাদাত বরণ করে যাওয়ার পাশাপাশি ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন। ১৭৯৯ সালের মে শ্রীরঙ্গ পট্টমের যুদ্ধে লড়াইরত অবস্থায় সম্মুখ যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। তিনি ১৭৫০ সালের ১০ নভেম্বর ব্যাঙ্গালোরের দেওয়ান হাল্লী নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর পর তার বাবা নবাব হায়দার আলী তার পীর বাবা টিপু মাস্তান ওয়ানীর নামানুসারে ছেলের নাম রাখেন টিপু। আধুনিক চিন্তা চেতনার অধিকারী টিপু তার রাজ্যে মুহাম্মাদী সন নামে একটি নতুন সন প্রবর্তন করেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চায় তিনি প্রধান পৃষ্ঠ পোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি শ্রীরঙ্গ পট্টম, ব্যাঙ্গালোর, চিরত, দারাক লাগর নামক স্থানেতারামন্ডলনামে একটি সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপন করেন। টিপু সুলতান নতুন এক কৌশল অবলম্বন করে উপমহাদেশ থেকে ইংরেজ তাড়ানোর উদ্যোগ নেন। শংকিত ইংরেজরা তখন অধীনতামূলক মিত্রতা নীতিতে অন্যান্য দেশীয় নবাবদের হাত করে নিলেও তাদের শংকার কারণ হয়ে দাঁড়ায় টিপু সুলতান। ১৭৯৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী ওয়েলেফালি টিপুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইংরেজ সেনাপতি জর্জ হেরিস মালভেরী নামক স্থানে ২৭ মার্চ টিপুর সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে। কঠিন মুহূর্তেও নিজে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে বেনিয়া ইংরেজদের দমনে সচেষ্ট হলে বন্দুকের গুলিতে টিপু আহত হন। আহত অবস্থায়ও তিনি বসে থাকেন নি। জন শত্রুকে নিধন করে বীরের ন্যায় শাহাদাত বরণ করেন।

সম্পর্কিত খবর

স্মরণীয় বরণীয়, সেপ্টেম্বর ২০২৪

জেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।

স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪

স্মরণীয় বরণীয় আগস্ট ২০২৪

স্মরণীয় বরণীর, এপ্রিল ২০১৯ : মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল

মৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

স্মরণীয় বরণীয়, এপ্রিল ২০১৯ : ওয়াজেদ আলীর ইন্তেকাল

২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে