আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ জুলাই ২০২৬ সোমবার: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কারণে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। একই সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলন বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার ও সমাজের সব শ্রেণির মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় অনেক পরীক্ষা কেন্দ্র প্লাবিত হয়েছে বা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরীক্ষার্থীদের বুকসমান পানি ও তীব্র স্রোত পেরিয়ে কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। যাদের ঘরবাড়ি, বইখাতা বন্যায় নষ্ট হয়েছে এবং বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন রয়েছে, তাদের জন্য পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রেখে পরে নতুন সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
একই দিনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষা কেন্দ্র অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পথে কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের নিরাপত্তা, মানসিক স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক পরীক্ষা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংগঠনটি পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত রাখার পাশাপাশি এইচএসসি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করারও আহ্বান জানায়।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, অতিবর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় ৭ জেলার ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার পানিবন্দি এবং ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংগঠনটি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও সাময়িক স্থগিত করার দাবি জানিয়ে বন্যাকবলিত এলাকায় মানবিক সহায়তায় নেতাকর্মীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ জাকির বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর আলম আকন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য দ্রুত উদ্ধার অভিযান, পর্যাপ্ত ত্রাণ, বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও গবাদিপশু হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দুর্গম এলাকায় দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়ে সমাজের বিত্তবান, তরুণ ও সর্বস্তরের মানুষকে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সংস্কার/ইএমই
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১৪০০ শহীদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বাইরের কোনো দেশের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিচালনা করা মেনে নেওয়া হবে না। শনিবার (১১ জুলাই) রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের মহাসমাবেশে তিনি
ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে সাম্যভিত্তিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আহ্বান জানান, এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানকে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার বা বিক্রি করা না হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান শুধু ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল না, বরং দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রকারীদের উৎখাতের লক্ষ্যেও সংঘটিত হয়েছিল। তার দাবি, দেশ রক্ষার জন্য মানুষ জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে এবং পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। তিনি আরও বলেন
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদনের খসড়া চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই চলছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে এটি