আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১ আগস্ট ২০২৬ শনিবার: স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে মরক্কোয় ফিরে যান।
বৃহস্পতিবার স্থল ও সমুদ্রপথে একসঙ্গে হাজারো মানুষ সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করলে ব্যাপক হুড়োহুড়ি ও ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৬৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে ছিউতা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আকস্মিক এই বিশাল ঢলে সীমান্তরক্ষীরাও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খায়।
ইউরোপজুড়ে উদ্বেগ: পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ঘটনাটিকে স্পেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানান।
ঘটনার পর ইউরোপজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতালি স্পেন থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে সাময়িক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়েছে। ফ্রান্সও স্পেন সীমান্তে তল্লাশি জোরদার করেছে। সংকট মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন সানচেজ।
গুজব ও বেকারত্বে তৈরি হয় অভিবাসী ঢল: অভিবাসীদের এই ঢলের পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানা গেছে। স্প্যানিশ সুপ্রিম কোর্টের একটি সাম্প্রতিক রায়কে কেন্দ্র করে মানবপাচারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও ভিডিও ছড়ায়। সেখানে দাবি করা হয়, সমুদ্রপথে স্পেনে আসা অভিবাসীদের সরাসরি ফেরত পাঠানো যাবে না। ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এসব ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর হাজারো মরক্কোর তরুণ ছিউতার দিকে রওনা হন।
এর পাশাপাশি মরক্কোর তরুণদের মধ্যে উচ্চ বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটও এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রতি চারজনের একজন শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা কর্মসংস্থানের কোনো ক্ষেত্রেই নেই। শান্ত সমুদ্রসীমার সুযোগ নিয়ে অনেকে সাঁতরে ছিউতায় প্রবেশের ঝুঁকি নেন।
ছিউতায় আটকে পড়ার আশঙ্কায় ফিরে যান অনেকে: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কারণে সমুদ্রপথে আসা অভিবাসীদের সরাসরি পুশব্যাক করতে না পারলেও স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
এদিকে ছিউতায় খাদ্য, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার সংকট দেখা দেয়। ফলে অনেক অভিবাসী সীমান্তের ফাঁক ও মূল ফটক দিয়ে নিজেরাই মরক্কোয় ফিরে যান।
ছিউতায় প্রবেশ করলেও সেখান থেকে স্পেনের মূল ভূখণ্ড বা ইউরোপের অন্য কোনো শেনজেনভুক্ত দেশে যাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে প্রবেশের পর অনেকেই সেখানে কার্যত আটকে পড়েন।
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মরক্কো ঐতিহাসিকভাবে ছিউতা ও মেলিলাকে স্পেনের অধিকৃত এলাকা হিসেবে দেখে। এ কারণে সীমান্ত পাহারায় মরক্কোর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের শিথিলতা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও
ভারতের গুজরাট পুলিশের স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসআইবি) একটি ‘গোপন’ নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ফাঁস হওয়া ওই নথিতে মুসলিমদের নিয়মিত ধর্মীয় আচরণ, পোশাক ও সম্ভাষণের মতো সাধারণ বিষয়কে উগ্রবাদ বা র্যাডিকালাইজেশনের সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উল্লে