আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার: ভারতের গুজরাট পুলিশের স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসআইবি) একটি ‘গোপন’ নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ফাঁস হওয়া ওই নথিতে মুসলিমদের নিয়মিত ধর্মীয় আচরণ, পোশাক ও সম্ভাষণের মতো সাধারণ বিষয়কে উগ্রবাদ বা র্যাডিকালাইজেশনের সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মানবাধিকার কর্মী ও মুসলিম প্রতিনিধিরা এটিকে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাম্প্রদায়িক প্রোফাইলিং বলে অভিযোগ করেছেন।
ফাঁস হওয়া নথি অনুযায়ী, গুজরাটের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিটি জেলা ও পুলিশ কমিশনারেটে অ্যান্টি-র্যাডিকালাইজেশন সেল (এআরসি) গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। ১৮ মে ২০২৬-এর এক নির্দেশনায় পুলিশকে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ এবং প্রতি মাসে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশিকায় উগ্রবাদের ‘সূচক’ হিসেবে নিয়মিত মসজিদে যাওয়া, রমজানে মসজিদে ইতিকাফ করা এবং কথাবার্তায় বারবার আরবি সম্ভাষণ ব্যবহারের মতো বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া পুরুষের দাড়ি রাখা, নারীর নেকাব বা বোরকা পরা, ধর্মীয় কারণে হঠাৎ পড়াশোনা বা চাকরি ছেড়ে দেওয়া, বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে আলোচনা এবং সিগন্যালের মতো এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ বা ভিপিএন ব্যবহারকেও তালিকায় রাখা হয়েছে।
তবে আইএসের প্রচারপত্র বা প্রোপাগান্ডা নিজের কাছে রাখা কিংবা ছড়িয়ে দেওয়াকে নথিতে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
নথিটি প্রকাশের পর মানবাধিকার কর্মী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী শবনম হাশমি অভিযোগ করেন, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে গুজরাট সরকার সাম্প্রদায়িক প্রোফাইলিং করছে এবং সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে। তার মতে, এটি ভারতের সংবিধানের ওপর গুরুতর আঘাত। তিনি আরও দাবি করেন, এআরসিকে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ও কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে বলা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে কঠোর ইউএপিএ আইনে হয়রানির সুযোগ তৈরি করতে পারে।
মাইনরিটি কোঅর্ডিনেশন কমিটির (এমসিসি) আহ্বায়ক মুজাহিদ নাফিস প্রথম নথিটি প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, কচ্ছ অঞ্চলে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানের সময় পুলিশ কোনো লিখিত নির্দেশ ছাড়াই মাদ্রাসা ও মসজিদে তল্লাশি চালানোয় তার সন্দেহ তৈরি হয়। পরে অনুসন্ধান করে তিনি এই সার্কুলারের সন্ধান পান।
নাফিসের অভিযোগ, মুসলিমদের সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পুরো সম্প্রদায়কে সন্দেহের চোখে দেখতেই নির্দেশিকাটি তৈরি করা হয়েছে। অথচ তথাকথিত গো-রক্ষকদের হামলা বা সাম্প্রদায়িক উসকানির মতো প্রকৃত উগ্রবাদের দিকে পুলিশের যথেষ্ট নজর নেই।
তবে ফাঁস হওয়া নথিটির সত্যতা নিয়ে এখনো গুজরাট সরকার বা রাজ্য পুলিশ প্রশাসন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তারা নথিটির সত্যতা স্বীকারও করেনি, অস্বীকারও করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে উগ্রবাদ দমনে নানা উদ্যোগ থাকতে পারে। তবে সাংবিধানিক অধিকার ও প্রকৃত উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা জরুরি। এই নির্দেশিকা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এমন অভিযোগে দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও