আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৪ মে ২০২৬ সোমবার: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ওপর করের বোঝা বাড়তে পারে। করমুক্ত আয়সীমা সীমিত বৃদ্ধি পেলেও করহার ও আয়ের স্ল্যাব পরিবর্তনের কারণে প্রায় সব করদাতাকেই বেশি কর দিতে হবে বলে জানা গেছে।
দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে করহার ও স্ল্যাবে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে কর হিসাবের ধরন বদলে গেছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকবে। পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০%, এরপর ৪ লাখ টাকায় ১৫%, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০%, পরবর্তী ২০ লাখ টাকায় ২৫% এবং বাকি আয়ে ৩০% হারে কর দিতে হবে। আগে কর কাঠামোতে সাতটি স্ল্যাব থাকলেও এখন তা কমে ছয়টি হয়েছে এবং প্রতিটি ধাপে করহার ৫ শতাংশ করে বাড়ানো হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই পরিবর্তনের ফলে নিম্ন-মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চ আয়ের সব শ্রেণির করদাতাদের করের চাপ বাড়বে। উদাহরণ হিসেবে, ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা আয়কারী একজন করদাতার ক্ষেত্রে আগে প্রায় ৮ হাজার টাকা কর দিতে হলেও নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ টাকা, অর্থাৎ অতিরিক্ত প্রায় আড়াই হাজার টাকা দিতে হবে।
তবে নতুন করদাতাদের জন্য কিছু ছাড় রাখা হয়েছে। যারা প্রথমবার রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে কর পরিশোধের সুযোগ থাকবে।
কর বিশেষজ্ঞ ও এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, আয় না বাড়লেও নতুন হিসাব কাঠামোর কারণে করদাতাদের বেশি কর দিতে হবে। যদিও সরকার চাইলে ভবিষ্যতে এই কাঠামো পরিবর্তন করতে পারে। সূত্র আরও জানায়, করমুক্ত আয়সীমা বর্তমান পর্যায়ে রাখার পক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কারণ সীমা বাড়ালে অনেকেই করজালের বাইরে চলে যেতে পারেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া বাজেটে সারচার্জের পরিবর্তে ‘সম্পদ কর’ আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। দলিল মূল্যের পরিবর্তে জমির বাজার (মৌজা) মূল্যের ভিত্তিতে এই কর নির্ধারণ করা হবে। রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা এবং চট্টগ্রামের খুলশী, আগ্রাবাদসহ বিভাগীয় শহরের ধনী ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যবস্থায় কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা বাড়বে এবং আয়বৈষম্য কিছুটা কমতে পারে।
সংস্কার/ইএমই
ইসলামী ব্যাংকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ না করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় কিছু ব্যবস্থা নেবে। এতে আমানতকারীদের কোনো সমস্যা হবে না এবং তারা যেকোনো সময় তাদের টাকা তুলতে পারবেন। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। বৃহস্পতিবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে উপস্থাপিত এ বাজেট বিএনপি সরকারের ১৭তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির
প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল চালুর
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে করদাতাদের জন্য একাধিক নতুন সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে আগে রিটার্ন দাখিল করলে কর ছাড় মিলবে, আর দেরি করলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে। জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান