আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ জুন ২০২৬ রবিবার: দুর্নীতির অভিযোগে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে জুরি বিচারের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং পাসপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ২১ জুন ২০২৬ প্রকাশিত আদালতের আদেশে বলা হয়, মাদ্রিদের আদালতের বিচারক হুয়ান কার্লোস পেইনাডো মামলাটি জুরি বিচারের জন্য এগিয়ে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পেয়েছেন। চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত বেগোনা গোমেজকে প্রতি মাসে দুইবার আদালতে হাজিরা দিতে হবে। এছাড়া সীমান্ত, বেসামরিক বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে তার দেশত্যাগ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বিচার শুরুর তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি।
গোমেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে নিজের প্রভাব ব্যবহার করে অন্যদের কাজের চুক্তি পেতে সহায়তা করেছেন এবং মাদ্রিদের কমপ্লুটেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশেষ পদ সৃষ্টি ও পরিচালনার ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তার বিরুদ্ধে তহবিল আত্মসাৎ, প্রভাব খাটানো, ব্যবসায়িক লেনদেনে অনিয়ম এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগও তদন্তাধীন।
২০২৪ সালের এপ্রিলে একটি উগ্র ডানপন্থী ঘরানার দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়।
তবে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও বেগোনা গোমেজ শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক দল দাবি করেছে, গত দুই বছর ধরে গোমেজ রাজনৈতিক ও বিচারিক হয়রানির শিকার।
এদিকে, এই মামলাসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে সানচেজ সরকার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক চাপে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা, যার মধ্যে সমাজতান্ত্রিক দলের তৃতীয় শীর্ষ নেতা এবং সাবেক পরিবহনমন্ত্রীও রয়েছেন, সরকারি নির্মাণ প্রকল্প, তেল-গ্যাস চুক্তি ও কোভিড-১৯ মাস্ক কেনাকাটায় ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তদন্তাধীন।
এ ছাড়া স্পেনের হাইকোর্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরোর বিরুদ্ধেও একটি দালালি চক্র পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত করছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ভাই ডেভিড সানচেজের বিরুদ্ধেও পৃথক দুর্নীতির তদন্ত চলছে।
বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের দাবি জানালেও সানচেজ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, ডানপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলো সরকারকে দুর্বল করতে পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ সামনে আনছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসা সানচেজ সরকারের জন্য এসব মামলা বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে এবং বেগোনা গোমেজের বিচারিক প্রক্রিয়া স্পেনের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও