আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার: টানা তৃতীয় বছরের মতো কোরবানি ছাড়াই ঈদুল আজহা উদযাপনের আশঙ্কায় রয়েছে গাজার বাসিন্দারা। চলমান যুদ্ধ, কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং গবাদিপশু আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে এবারও ঈদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে হজ পালনের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন অনেক ফিলিস্তিনি।
গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী ৬৪ বছর বয়সী নাজিয়া আবু লেহিয়া জানান, যুদ্ধ শুরুর আগে তার ও স্বামীর হজে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। পরে যুদ্ধের মধ্যেই তার স্বামী মারা যান। এখন তিনি মোবাইল ফোনে মক্কার দৃশ্য দেখে স্মৃতিচারণ করেন।
২০২৩ সালের আগে প্রতিবছর গাজা থেকে কয়েক হাজার মানুষ হজ পালনের সুযোগ পেতেন। তবে যুদ্ধ শুরুর পর সীমান্তে কড়াকড়ি ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণে সেই সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধবিরতির পর কিছু সীমিত যাতায়াত চালু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
রাফাহ সীমান্ত দিয়ে মানবিক কারণে সীমিত সংখ্যক মানুষকে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে গুরুতর অসুস্থ রোগী ও অল্প কয়েকজন ছাড়া সাধারণ মানুষের বিদেশ ভ্রমণ বা ধর্মীয় সফরের সুযোগ নেই।
অন্যদিকে কোরবানির পশুর সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে খামার, পশু চিকিৎসা কেন্দ্র এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ফলে পশু উৎপাদন ও আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে।
যুদ্ধের আগে ঈদুল আজহার সময় গাজায় হাজার হাজার গরু ও ভেড়া আমদানি করা হতো। বর্তমানে সেই সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকায় কোরবানি দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত মানবিক সহায়তার আওতায় কিছু খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পণ্য প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও জীবিত পশু প্রবেশের অনুমতি নেই। ফলে কোরবানির পশুর সংকট আরও বেড়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি পাওয়া মানুষের সংখ্যা জনসংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত কম। এতে ঈদ, হজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও অবরোধের ফলে গাজার মানুষের ধর্মীয় জীবন ও সামাজিক উৎসবগুলো গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঈদুল আজহার মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবেও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
গাজা সিটির অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা ওমর আল-মোখতার স্ট্রিট ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময়ের ব্যস্ত ও প্রাণচঞ্চল এই সড়ক বর্তমানে জনশূন্য, যেখানে সর্বত্র যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।
ইরানে চলমান যুদ্ধ ও সংকটপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও গত রমজানের ৪০ দিনে ২৯ হাজারের বেশি বিয়ে নিবন্ধিত হয়েছে। দেশটির মহিলা ও পরিবার বিষয়ক প্রেসিডেন্সির উপ-সহকারী বেহরুজআযার বলেছেন, এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে কঠিন সময়েও ইরানের মানুষ জীবন, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সহায়তাকেই বেছে নিচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থার কারণে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে কাতার। কয়েক দশক ধরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলা দেশটির জ্বালানি রপ্তানি এখন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা এবং কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোয়
আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এতে হজ ও ওমরাহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ, ভিসা কার্যক্রম এবং যাত্রী প্রবেশের সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে। নতুন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৩১ মে থেকে আবার ওমরাহ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ওমরাহ যাত্রীরা