আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার: ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহিতা ছাড়াই আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এতে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ আইন কার্যকর হলে ব্যাংকিং খাত আবারও দুর্নীতি ও লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে পারে, যা আত্মঘাতীমূলক সিদ্ধান্ত।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ-২০২৫’-এ ব্যাংক বিপর্যয়ের জন্য দায়ীদের অর্থ ফেরত দিলেও মালিকানায় ফেরার সুযোগ ছিল না। তবে নতুন আইনে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করে সেই বিধান পরিবর্তন করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি করেছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার যে যুক্তিই দিক না কেন, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের দুর্নীতিবাজদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার বদলে তাদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
তিনি আরও বলেন, এ সিদ্ধান্ত হতাশাজনক হলেও অপ্রত্যাশিত নয়। তার মতে, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দখলদারিত্বের ধারাবাহিকতারই অংশ, যা ‘উইনার টেইকস অল’ সংস্কৃতির প্রতিফলন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের ধারাবাহিকতা।
টিআইবির দাবি, ব্যাংক খাত ধ্বংসের জন্য দায়ী শেয়ারহোল্ডারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করে তাদের পুনরায় মালিকানা ফিরিয়ে দিলে খাতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে না।
এছাড়া, সরকার ব্যাংক সচল রাখা, আমানত সুরক্ষা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতার কথা বলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে আইনটি পাস করেছে উল্লেখ করে সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে-এটি কি সত্যিই নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আর্থিক খাত সংস্কারে সহায়ক, নাকি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ? বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।
সংস্কার/ইএমই
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে, যা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই
সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা শীর্ষ ২০ খেলাপির ৬৫ শতাংশ। আর ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশসেরা ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি