আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতগ্রন্থনা: উসামা
মোহাম্মদ
ফাস্টফুডের ক্ষতিকর দিক
রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ করা ভালো। রোগ হলে রোগীর কষ্ট, চিকিৎসা, ওষুধ ইত্যাদিতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। মানুষের সবচেয়ে প্রিয় হলো তার জীবন। তাই সবার হৃদয় জুড়ে থাকে বেঁচে থাকার বাসনা। খাদ্য ছাড়া জীবনের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। এ বিশ^চরাচরে খাদ্য ছাড়া বাঁচতে পারে এমন কোন জীব নেই। প্রতিটি জীবের জন্য চাই খাদ্য। তাই মানুষ স্বভাবগত নতুন বিষয়ে আগ্রহী থাকে। নতুনত্ব নিয়ে আসতে চায় সব ক্ষেত্রে।
তাই খাদ্যের নতুন ও আকর্ষণীয় ভাব মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। জিহ্বার স্বাদ যে অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়, সেটা আমাদের অনেকেরই জানা। তাই আসুন, জেনে নেই ফাস্টফুডের ক্ষতিকর দিক।
স্বাস্থ্য ঘাতী ফাস্টফুড বর্তমানে সারা বিশ্বে বাড়ছে অনেক অজানা খাদ্যবাহিত রোগ। আর এগুলোর মূল কারণ হিসাবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে রসনা তৃপ্তিদায়ক ফাস্টফুড।
বিশ্বজুড়ে যার নাম জাঙ্কফুড।
যুক্তরাষ্ট্রে
খাদ্য সংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয় প্রায় দুই লাখ লোক। যার মধ্যে প্রায় ৫০ জন মারা যায়। বার্গার, পিজা ইত্যাদি খাবেন কি না সিদ্ধান্ত নিন। ফাস্টফুড বলতে গেলে অন্তরে যে জিনিসটি কল্পনায় আসে তা হলো বার্গার। অনেকের খুব প্রিয় এই বার্গার। বার্গার সম্পর্কে ভালো না জানা বা সঠিক না জানাই তা প্রিয় ভাব ধরে রেখেছে। আসুন জেনে নেই বার্গারের গোপন কথা। বার্গারে যে গরু বা খাসির গোশত দেয়া হয়, তার অবস্থা সম্পর্কে জানি। আমেরিকার কথা বলি, তাহলে দেশের অবস্থা বোঝা যাবে। সেখানে কিভাবে গরুর গোশত প্রস্তুত করা হয়? সেখানে একটি বিফ বার্গারে যে গোশতের কিমা থাকে তা অন্তত এক ডজন গরু এবং কখনো কখনো কয়েক শ’ পর্যন্ত গরুর গোশত মিশ্রিত থাকে। এটিও প্রমাণীত হয়েছে বিশ্ব খ্যাত দু’টো আমেরিকান ব্রান্ডের বার্গারে এত নিম্নমানের গরু বা মুরগির গোশত ব্যবহৃত হয়, তা গৃহপালিত কুকুরের খাবারেরও অযোগ্য। আর গরুর অবস্থাও তেমন পর্যবেক্ষণ করা হয় না। সেখানে চামড়া এমনকি গোবর পর্যন্ত লেগে থাকে। সাথে গোশতবাহিত জীবাণু যেমন ই-কোলাই, সালমোনেলাসহ আরো অনেক জীবাণু থাকে। এক মণ গোশত সংক্রামিত করতে একটি জীবাণুই যথেষ্ট। আর আপনি বুঝবেনই বা কিভাবে, তা আপনার কাছে আসার আগে প্রচন্ড চাপে ডিপ ফ্রাই করা হয়। আর ভাবছেন যে ফ্লেভার তা অর্জিনাল! না তা হচ্ছে যোগ করা। এক প্রকার দ্রব্য পাওয়া যায় গোশতের মতো গন্ধ দেয়। যা খেয়ে হাজার হাজার লোক খাদ্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। সম্মানিত পাঠক একটু চিন্তা করুন, সভ্যতার সর্বোচ্চ আসনে থেকে যদি তাদের খাদ্য নিরাপত্তার এই অবস্থা হয়, তাহলে আমাদের দেশের কী অবস্থা হতে পারে। শুধু তাই নয়, ১৯৯৭ সালের আগে সে দেশে মৃত গবাধি পশুর গোশত বাজারে বিক্রি করা হতো। এক সময় বৃটেনে ম্যাডকাউ ডিজিজ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন সাংবাদিক এরিক শ্লোজার টানা তিন বছর গবেষণা ও অনুসন্ধান চালিয়ে ফাস্টফুড ন্যাশন নামে একটি বই লেখেন, যাতে আমেরিকার খাদ্য ব্যবস্থার প্রমাণ রয়েছে। বইটি ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়। গবেষকেরা দেখিয়েছেন, মানুষের শরীরে একটি আণবিক উপাদান পিজিসি-১ বিটা স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে প্রবেশ করলে এটি লিভারকে এলডিএল এবং ট্রাইগ্রিসারিন তৈরিতে বাধ্য করে, যা হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। ক্যান্সারের কারণও হতে পারে এই বার্গার।
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?