আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতগ্রন্থনা:
উসামা মোহাম্মদ
আমাদের
সকলের পরিচিত একটি সবজি হল
ঢেঁড়স। এই ঢেঁড়সকে একটু
অবহেলা করে দেখা হয়।
কিন্তু পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ঢেঁড়সের খাদ্যগুণ অনেক। পেটের কষ্ট থেকে মুক্তি
দেয় এই ঢেঁড়স। এর
ফাইবার হজমে বিশেষ সহায়তা
করে। ঢেঁড়সে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, আছে
ভিটামিন-এ। ফলে ঢেঁড়স
চোখের জন্য খুবই উপকারী।
নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে শরীরে জরুরী
ইমিউনিটি সিস্টেম তৈরি হয়ে যায়।
ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এড়াতে এটি খুবই সাহায্য করে। ঢেঁড়সে ভিটামিন-সি থাকায় তা ত্বকের ক্ষেত্রেও খুব উপকারী। ফলে গরমকালে ত্বক সুস্থ রাখতে ঢেঁড়স খুবই কার্যকরী। ঢেঁড়স ওজনও নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে এটি ওজন কমায়। অ্যান্টি ওবেসিটি কোয়ালিটি রয়েছে বলেও ঢেঁড়সের কদর যথেষ্ট। ঢেঁড়স ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও খুব কার্যকরী। এখন প্রতি ঘরেই ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে। ফলে ঢেঁড়স ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এখন খুবই জরুরী খাদ্যে পরিণত হয়েছে। ঢেঁড়সে কোলেস্টেরল লেভেল খুবই কম। ফলে ঢেঁড়স হৃদরোগীদের ক্ষেত্রেও উপকারী। রক্তে লোহিত কণিকা বাড়াতেও সাহায্য করে। ঢেঁড়স।
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?