আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার: পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে।
কেন্দ্রটি চালু হলে এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল হবে ৬০ বছর, এই পুরো সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে এর মেয়াদ আরও ৩০ বছর বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৯০ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে বিক্রিয়ার জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি বান্ডেলে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম রড রয়েছে। বাংলাদেশ আগে থেকেই ১৬৮টি বান্ডেল সংগ্রহ করেছে, যার মধ্যে ১৬৩টি ব্যবহার হবে এবং ৫টি সংরক্ষিত থাকবে।
সব বান্ডেল স্থাপন করতে সময় লাগবে ৪০ থেকে ৪৫ দিন। এরপর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপে পানি বাষ্পে পরিণত হবে এবং সেই বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
একবার জ্বালানি লোড করলে তা দিয়ে টানা দেড় বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে তেল, গ্যাস বা কয়লার মতো নিয়মিত জ্বালানি কেনার প্রয়োজন হবে না। দেড় বছর পর একসঙ্গে পরিবর্তনের বদলে এক-তৃতীয়াংশ জ্বালানি পরিবর্তন করলেই চলবে।
জ্বালানি লোডিংয়ের পর আরও শতাধিক নিরাপত্তা ও কারিগরি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সব ধাপ সফল হলে কয়েক মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। রূপপুরের প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট।
প্রায় ১০ বছরের নির্মাণ ও কারিগরি প্রস্তুতির পর বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করছে। প্রথম ইউনিটের জন্য ১৬ এপ্রিল জ্বালানি লোডিংয়ের কমিশনিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। সব প্রস্তুতি শেষে এখন ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুযায়ী আগে কয়েকবার সময় নির্ধারণ হলেও তা সম্ভব হয়নি। এখন সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন জানান, জ্বালানি লোডিং শেষ হতে প্রায় ৪৫ দিন লাগবে। জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে পূর্ণ সক্ষমতায় ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।
পদ্মা নদীর তীরে ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা রয়েছে। এখানে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। দুই ইউনিট পূর্ণ উৎপাদনে গেলে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, যা দেশের মোট চাহিদার ১০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করবে।
উদ্বোধনী কার্যক্রমে রাশিয়ার রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকায় আসেন এবং পরে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে উদ্বোধনী কার্যক্রমে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীসহ বাংলাদেশ ও রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কার/ইএমই
টানা ছয় দিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। জেলার অন্তত ১৫টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাবে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং গণভোটের বিধান পুনর্বহালের পথ সুগম হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই ২০২৬ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে একদিনে ১,৯৪৬টি পুরোনো ফৌজদারি ও রিট মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১,৭৮৩টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং ১৬০টি পুরোনো রিট মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো.
ঢাকা মহানগরীর যানজট কমানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক করতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায়