আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় থাকা অনেক প্রার্থী শেষ পর্যন্ত জয় পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভাইরাল বক্তব্য, বিতর্ক কিংবা মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা, সব মিলিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও ভোটের ফল তাদের পক্ষে যায়নি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: রাজধানীর আলোচিত ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ভোর ৪টার দিকে ফল ঘোষণা করা হয়। এতে ৫ হাজার ভোটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পরাজিত করে মির্জা আব্বাস বিজয়ী হন।
সারজিস আলম: জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে শাপলাকলি প্রতীকে পান ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। ফল ঘোষণার পর সারজিস আলম বিজয়ীকে অভিনন্দন জানান।
তাসনীম জারা: এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনীম জারা জামায়াত জোটে এনসিপি যোগ দেওয়ার পর পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। ঢাকা-৯ আসনে হাবীবুর রহমানের কাছে তিনি পরাজিত হন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।
মামুনুল হক: ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পান। ১১ দলীয় জোট সমর্থিত মাওলানা মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। ব্যবধান ২ হাজার ৩২০ ভোট। ভোরে মামুনুল হক ফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তোলেন।
আমিনুল হক: ঢাকা-১৬ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে আমিনুল ইসলাম পান ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট।
মিয়া গোলাম পরওয়ার: জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট। বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি) ধানের শীষে পান ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। ব্যবধান ২ হাজার ৭০২।
শিশির মনির: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষে ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়ে ৩৯ হাজার ৯৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।
হামিদুর রহমান আজাদ: ১২৪ কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ পান ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ড. হামিদুর রহমান আজাদ পান ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট। ব্যবধান ৩৫ হাজার ৬২৮।
জিএম কাদের: রংপুর-৩ আসনে জামায়াতের মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) পান ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট। বিএনপির মো. সামসুজ্জামান সামু পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) লাঙ্গল প্রতীকে পান ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট।
মাহমুদুর রহমান মান্না: নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে পান ৩ হাজার ৪২৬ ভোট, ফলে জামানত হারান। বিএনপির মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পান ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।
হারুনুর রশীদ: জামায়াত মনোনীত নুরুল ইসলাম বুলবুল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩ ভোট। বিএনপির হারুনুর রশীদ হারুন ধানের শীষে পান ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আলোচনায় থাকা একাধিক প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়লেও তাদের প্রচার ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা ছিল নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত বিষয়।
সংস্কার/ইএমই
ডাক বিভাগে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ যেন থামছেই না। একের পর এক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও এখনো পর্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন পদ্ধতিতে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দিনমজুরের সন্তান মো. বাবুল মিয়া, যিনি একসময় কাঁচাবাজারে কুলি ও পরে ভাতের হোটেলে রান্নার কাজ করতেন, বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক, এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন। জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে ঢাকার ফার্মগেটের
ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল এখন নগরবাসীর জন্য বড় উদ্বেগ ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ট্রাফিক জট, সড়ক নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিদ্যুৎ চুরি এবং অনিয়ন্ত্রিত নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই যানবাহন উচ্ছেদের দাবি জোরালো হচ্ছে। রাজধানীর অলিগলি, আবাসিক এলাকা ও সংযোগ সড়কে
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তার পক্ষে দায়িত্ব