আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছেন। পাঁচ জেলায় মোট ২৩টি আসনের মধ্যে বিএনপি জিতেছে ২১টিতে, জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ২টি আসন। জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্যে থাকা এলডিপির একমাত্র আসনেও পরাজয় হয়েছে।
নতুন সরকারে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রিত্ব নিয়ে নাগরিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত দীপেন দেওয়ানসহ আরও কয়েকজন। চট্টগ্রাম জেলার ১৬ আসনের মধ্যে বিএনপির জয়ী ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই নতুন মুখ।
চট্টগ্রাম জেলা (১৬ আসন: বিএনপি ১৪, জামায়াত ২), চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই): নুরুল আমিন (বিএনপি, ধানের শীষ) ১,২৮,৭৯৯; ছাইফুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ৮৪,৫৩৮। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): সরোয়ার আলমগীর (বিএনপি) ১,৩৮,৫৪৫; মোহাম্মদ নুরুল আমিন (জামায়াত) ৬২,১৬০। ফল প্রকাশ উচ্চ আদালতের মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় স্থগিত। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ): মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি) ৭৩,০৩৭; আলাউদ্দীন সিকদার (জামায়াত) ৩৯,৬৬২। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক আংশিক): মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি) ১,৪২,৬৭৪; মো. আনোয়ার ছিদ্দিক (জামায়াত) ৮৯,২৬৮। ফল প্রকাশ স্থগিত (মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে)।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী): ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (বিএনপি) ১,১৬,৪৪০; মাওলানা মো. নাসির উদ্দীন মুনির (খেলাফত মজলিস, রিকশা) ৩২,৭০৮। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান): গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি) ১,১১,২০১; মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (ইসলামী ফ্রন্ট, মোমবাতি) ২৬,৬৯৭। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া): হুমাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি) ১,০১,৪৪৫; ডা. এটিএম রেজাউল করিম (জামায়াত) ৪১,৭১৯। চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী): এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি) ৭৯,২০৭; ডা. আবু নাসের (জামায়াত) ৩৪,৭৪৭। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী): মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বিএনপি) ১,০৯,৩৮৮; ডা. একেএম ফজলুল হক (জামায়াত) ৫৩,৪০৭। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-খুলশী): সাঈদ আল নোমান (বিএনপি) ১,২১,৩৬৪; মুহাম্মদ শামসুজ্জমান হেলালী (জামায়াত) ৭৪,৪০৭। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা): আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি) ১,১৫,০২১; মোহাম্মদ শফিউল আলম (জামায়াত) ৭৩,৭৫২। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া): এনামুল হক এনাম (বিএনপি) ১,৩৫,০৪৪; ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (ইসলামী ফ্রন্ট) ২৮,৯৯৯। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী): সরোয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি) ১,২৬,১৯২; এসএম শাহজাহান (ইসলামী ফ্রন্ট) ৫১,৪৫০। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক): জসিম উদ্দিন আহমদ (বিএনপি) ৭৬,৪৯৩; ওমর ফারুক (এলডিপি, ছাতা) ৭৫,৪৬৭। চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া): শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াত) ১,৮১,২৩৮; নাজমুল মোস্তফা আমীন (বিএনপি) ১,৩০,৬৬১। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): মাওলানা জহিরুল ইসলাম (জামায়াত) ৯৩,১৬৭; মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা (বিএনপি) ৮৩,১০৫।
কক্সবাজার জেলা (৪ আসন: বিএনপি ৪), কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া): সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি) জয়ী; প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ (জামায়াত)। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া): আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি) জয়ী; ড. এইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (জামায়াত)। কক্সবাজার-3 (সদর-রামু-ঈদগাঁও): লুৎফুর রহমান কাজল (বিএনপি) জয়ী; শহিদুল আলম বাহাদুর (জামায়াত)। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ): শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি) জয়ী; নুর আহমেদ আনোয়ারী (জামায়াত)।
পার্বত্য তিন জেলা (৩ আসন: বিএনপি ৩), বান্দরবান: সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি) জয়ী। খাগড়াছড়ি: ওয়াদুদ ভূইয়া (বিএনপি) জয়ী।
রাঙামাটি: দীপেন দেওয়ান (বিএনপি) জয়ী। বৃহত্তর চট্টগ্রামে এ ফলাফলে বিএনপির শক্ত অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। এখন নজর নতুন সরকার গঠন ও সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা ঘোষণা।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে