আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতকুষ্টিয়ায়
শিশুদের জ্বর ও ঠান্ডাজনিত
রোগের পাশাপাশি ডায়রিয়া রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। কুষ্টিয়া
জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীদের
চাপে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ২৮
শয্যার বিপরীতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে ২০৬ জন শিশু
রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। যা হাসপাতালের ধারণ
ক্ষমতার চেয়ে প্রায় ১০
গুণ বেশি। যার ফলে হাসপাতালে
তীব্র শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।
শয্যা সংকটের কারণে অধিকাংশ রোগীর ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের
বারান্দা ও মেঝেতে। উপায়ান্তর
না পেয়ে অনেকেই ডায়রিয়া
ওয়ার্ডের বরান্দায় ঠাঁই নিয়েছেন। আবার
এক শয্যায় গাদাগাদি করে একাধিক রোগীকেও
চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে জনবল সংকট ও
অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা
দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল
কর্তৃপক্ষকে। কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে
জানা গেছে, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই জেলা এবং জেলার
বাইরে থেকে শিশু রোগী
ভিড় জমাচ্ছে এই হাসপাতালে। হাসপাতালের
শিশু ওয়ার্ডে আক্রান্ত রোগীদের উপচে পড়া ভিড়
দেখা গেছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ
মোমেন জানান, হাসপাতালে শিশুদের জ্বর, ঠান্ডা, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন
রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?