অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ

লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক সময় জাপানে প্রচুর লিভার ক্যান্সার রোগী  দেখা যেতো। বর্তমানে জাপানে লিভার ক্যান্সারের রোগী কমে এসেছে। উন্নতমানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং সচেতনতার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশে এখনও প্রচুর লিভার ক্যান্সারের রোগী দেখতে পাওয়া যায়। অথচ সামান্য একটু সচেতন হলেই ভয়াবহ এই রোগের হাত থেকে বাঁচা সম্ভব। কমিয়ে আনা সম্ভব লিভার ক্যান্সারের প্রকোপ।

লিভার ক্যান্সার দুই ধরণের

১. প্রাথমিক লিভার ক্যান্সারঃ যার উৎপত্তি লিভার থেকে।

২. সেকেন্ডারী লিভার ক্যান্সার যার উৎপত্তি ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলী, অন্ত্র এবং জরায়ু থেকে।

দুই ভাবে লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব

১. হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধ করা।

২. অ্যালকোহল বা মদের হাত থেকে বেঁচে থাকা।  এখন আমাদের জানতে হবে কিভাবে হেপাটাইটিস বি এবং সি এর হাত থেকে বেঁচে থাকা যায়।

হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধের উপায়

১. হেপাটাইটিস বি অথবা সি তে আক্রান্ত রোগী রক্ত দিতে পারবেন না।

২. ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ছাড়া ইঞ্জেকশন গ্রহণ নিষেধ।

৩. শিরায় বা মাংশে যারা মাদক গ্রহণ করে তারা একই সিরিঞ্জ ব্যবহার করে। এসব

থেকে দূরে থাকতে হবে।

৪. যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করতে হবে।

৫. হেপাটাইটিস বি এর ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। সবার এই ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। ৬. ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিকস সবার ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত।

৭. হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া এবং যাদের ডায়ালাইসিস চলছে তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে।

এলকোহল বা মদের হাত থেকে বেঁচে থাকতে হবে। এলকোহল গ্রহণ করলে লিভার সিরোসিস এবং পরবর্তী পর্যায়ে লিভার ক্যান্সার হয়।

এলকোহলের হাত থেকে বেঁচে থাকার উপায়

১. সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

২. পারিবাকি মূল্য বোধঃ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশু প্রথম শিক্ষা পায় পরিবার থেকে। তাই পারিবারিক শিক্ষা সকলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৩.  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা।

৪. আইন প্রয়োগ করা এবং সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন করা।

৫. মসজিদের ইমাম, শিক্ষক, নেতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে অন্যকে সচেতন করা।

৬. মদ ও এলকোহলের উৎপাদন ও পাচার বন্ধ করা।

৭. আসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।  জাপান আজ লিভার ক্যান্সার  প্রতিরোধ করেছে আমাদের সেভাবেই সামনে অগ্রসর হওয়া উচিত। আশা করা যায় আমরাও একসময় জাপানের মত লিভার ক্যান্সারের হার

অনেক কমিয়ে আনতে পারব। 

(ডা. মো: ফজলুল কবির পাভেল।)

সম্পর্কিত খবর

গ্লোবাল ডায়াবেটিস নিয়ে নতুন উদ্বেগ : উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর

হাসপাতালে ভেন্টিলেশন কাদের জন্য এতে কী জানা যায়

হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং

কিডনি ঠিক আছে কিনা জানা যাবে ঘরেই করা সহজ পরীক্ষায়

আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব

কিডনি বা পিত্তথলির পাথর কেনো হয়, কী ভাবে এ প্রবণতা আটকানো যায়

কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?