আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতডায়াবেটিসের
মত রোগ কখনোই চিকিৎসায় ভালো হয় না। তবে বিশেষ চিকিৎসার মাধ্যমে জীবন-যাপনে পরিবর্তন
আনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সাধারণত বয়স ৪০-এর পরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে
দেখা যায় বেশি। তবে এই রোগের কারণগুলো নিশ্চয়ই এর আগের বছরগুলোতেই ঘটে থাকে। আজকের
এই বিশেষ প্রতিবেদনে এমনই ১০টি কারণ তুলে ধরা
হল যেগুলো ঘটতে না-দিলে আপনি হয়তো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারেন।
জেনে নেওয়া যাক কী সেই কারণগুলো যেগুলোর ফলে আপনার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি
বেড়ে যেতে পারে।
১.
কফি পান না-করা : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এইচ চ্যান স্কুলের
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত কফি পান করেন তাঁদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার
ঝুঁকি ৩৩ শতাংশ কমে আসে। কারণ কফিতে থাকা কিছু উপাদান দেহে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমিয়ে
আনে।
২.
খাদ্য তালিকায় প্রোবায়েটিকস না-থাকা- প্রোবায়েটিক জাতীয় খাদ্য দেহে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার
হার বাড়ায়, যা দই বা ছানাজাতীয় খাদ্যে পাওয়া
যায়। প্রোবায়েটিক জাতীয় খাদ্য না খেলে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে যা থেকে আবার
ইনসুলিন প্রতিরোধক সৃষ্টি হতে পারে। যার ফলে ডায়াবেটিস হয়।
৩.
প্লাস্টিক কন্টেইনারে খাবার খাওয়া: প্লাস্টিক কন্টেইনার থেকে খাবার বা পানীয় খেলে ডায়াবেটিস
হতে পারে । কেন না প্লাস্টিক কন্টেইনারে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যেগুলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
সৃষ্টি করতে পারে এবং রক্তচাপও বাড়িয়ে দিতে পারে। এ থেকে ডায়াবেটিস হতে পারে।
৪.
রোদে বের না-হওয়া: আপনি যদি ঘর থেকে খুব কম বের হন এবং গায়ে রোদ না-লাগান তাহলে আপনি
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে চলেছেন। গায়ে পর্যাপ্ত রোদ না-লাগার কারণে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দিতে পারে। আর ভিটামিন
ডি-র ঘাটতি থেকেও ডায়াবেটিস রোগ হয়।
৫.
ডেস্ক জব-আপনি যদি সারাক্ষণ টেবিলে বসে থাকার দরকার হয় এমন চাকরি করেন বা নিয়মিত শরীর
চর্চা না-করেন তাহলে আপনার পেটে চর্বি জমে যাবে। পেটের চর্বিও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
হওয়ার একটি অন্যতম কারণ।
৬.
প্রাতঃরাশ না-খাওয়া: আপনি যদি অতি ব্যস্ত জীবন-যাপন করেন এবং নিয়মিতভাবেই সকালের খাবার
না-খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার টাইপ-টু ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি যে অনেকট্ইা তা বলা বাহুল্য।
কারণ, সকালবেলা থেকে দীর্ঘ সময় ধরে না-খেয়ে থাকলে দেহে ইনসুলিনের মাত্রার হেরফের ঘটে
যায় যা থেকেও ডায়বেটিস হয়।
৭.
পানিশূন্যতা: পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি নাÑখেলে দেহে পানিশূণ্যতা দেখা দেয় আর তা থেকে
সৃষ্টি হয় হাইপারগ্লাইসেমিয়া, যার ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঘনীভূত হয় এবং ডায়াবেটিস
রোগ সৃষ্টি হয়।
৮.
বিশেষ কিছু সুগন্ধি: আপনি যদি পারফিউম,
কোলোন, রুম ফ্রেশনার প্রভৃতি নিয়মিত ব্যবহার
করেন তাহলে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন উচ্চমাত্রায়। কারণ এসবে থাকা
কিছু রাসায়নিক উপাদান দেহে ইনসুলিনের ভারসাম্য
নষ্ট করে এবং ডায়াবেটিস রোগ সষ্টি করে।
৯.
দূষিত মাংস: অনেক সময় মাংস পরিষ্কার করার জন্য কীটনাশক এবং অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহার
করা হয়। এ-ধরনের মাংস খেলে হাইপারগ্লাইসেমিয়া হয় বা রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে
যায়। যার ফলে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
১০.
রাতে ফাস্টফুড খাওয়া: খেয়েই ঘুমানো, ঘুম থেকে ভোররাতে না উঠে বিলম্বে ওঠা, হাটাহাটি
না করলেও ডায়াবেটিস হতে পারে।
(আফতাব চৌধুরী-সাংবাদিক-কলামিস্ট।)
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?