অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

মানুষের মুখের দুর্গন্ধ নিরাময়ের সহজ উপায়

গ্রন্থনা: উসামা মোহাম্মদ

মানুষের মুখে দুর্গন্ধ সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে একটি। কখনও কখনও দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারণ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আপনি যদি এর কারণের সঙ্গে পরিচিত হন তখন দেখবেন এটি নিরাময় করা খুবই সহজ। এছাড়াও মুখের গন্ধ আপনাকে নিজের সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন করতে পারে। দুর্গন্ধ বেশি হলে তা আপনার আত্মবিশ্বাসের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সুতরাং মুখে যাতে গন্ধ না বের হয় সেটা খেয়াল রাখা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্গন্ধের টি প্রধান কারণ এবং নিরাময়ের উপায়:

খাদ্য: যখন আপনি খাবার চিবিয়ে খান, তখন আপনি যা খান তা আপনার দাঁতের মধ্যে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যখন দীর্ঘ সময় ধরে সেই খাবার আটকে থাকে, তখন এটি জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়। যা পরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। রসুন, পিয়াজ এবং কিছু মশলা মানুষের মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে যা মানুষের মুখে অনেকক্ষণ ধরে থাকে।

ডিহাইড্রেশন: শুকনো মুখ বেশির ভাগ ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টির স্থান করে দেয় যা মুখের মধ্যে দুর্গন্ধ তৈরি করে। এখানে যে লালা তৈরি হয় তা বাজে গন্ধের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। আমাদের জিভও ব্যাকটেরিয়ার প্রজননের জন্য একটা ভাল জায়গা। প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে মুখ আর্দ্র, পরিষ্কার এবং দুর্গন্ধমুক্ত থাকে। তাই পানি খাওয়া মুখের গন্ধ দূর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তামাকজাত দ্রব্য: ধূমপান যারা করে এবং মুখে তামাক রাখে যারা, তাদের মাড়ীর রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। যা মুখের দুর্গন্ধের দিকে নিয়ে যায়। তাই এদের মধ্যে যারা দুর্গন্ধ দূর করার উপায় খুঁজছে, তারা ভাজা মৌরি চিবানোর চেষ্টা করতে পারে। এটা খাবারের পর হজমের জন্য উপকারী হওয়ার পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধ মোকাবেলার জন্যও উপকারী।

ওষুধ: কিছু ওষুধের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। কারণ তারা রক্তে কিছু রাসায়নিক পদার্থ ছেড়ে দেয় যে এই গন্ধের সৃষ্টি করে। কিছু ওষুধ আপনার মুখকে শুকিয়ে ফেলে যা লালা উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ফলে মুখের দুর্গন্ধ বৃদ্ধি পায়। কিছু শক্তিশালী ওষুধও আছে যা ফেনোথিয়াজিন, কেমোথেরাপি কেমিক্যাল এবং নাইট্রেটের মতো উপাদান নিঃসরণ করায় মুখে গন্ধ ছাড়ে।অ্যালকোহল এবং কফির অতিরিক্ত ব্যবহার: ক্যাফেইন লালা উৎপাদনে বাধা দেয় যার ফলে দুর্গন্ধ হয়। যেখানে অ্যালকোহল শরীরে পানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। যার ফলে পক্ষান্তরে লালা উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। যদি আপনি আপনার মুখকে দুর্গন্ধহীন রাখতে চান তাহলে গাজর, পালং শাক, শসা এবং সাইট্রাস ফল খেতে পারেন।

সম্পর্কিত খবর

গ্লোবাল ডায়াবেটিস নিয়ে নতুন উদ্বেগ : উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর

হাসপাতালে ভেন্টিলেশন কাদের জন্য এতে কী জানা যায়

হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং

কিডনি ঠিক আছে কিনা জানা যাবে ঘরেই করা সহজ পরীক্ষায়

আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব

কিডনি বা পিত্তথলির পাথর কেনো হয়, কী ভাবে এ প্রবণতা আটকানো যায়

কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?