আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতগ্রন্থনা: উসামা মোহাম্মাদ
আমাদের ব্রেনে বিভিন্ন
রকমের পানি ভর্তি থলি বা সিস্ট হতে পারে। এর মধ্যে কিছু সিস্ট আছে যেগুলো খুব বেশি
সমস্যা করে না। এরাকনয়েড সিস্ট সেরকমই একটি সিস্ট। তবে খুব বড় হয়ে গেলে এটি সমস্যা
তৈরী করতে পারে। ছেলেদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।
এরাকনয়েড সিস্ট বিভিন্ন
রকম সমস্যা তৈরী করতে পারে। এটি থাকলে ব্রেনের ভিতর চাপ বেড়ে যায় আর তাতে মাথা ব্যথা
হতে পারে। অনেক সময় বমি ভাব বা বমি হতে পারে। ব্রেনের চাপ বেড়ে খিঁচুনি হতে পারে।
অনেক সময় খুব বেশী বড় হয়ে গেলে মাথার পিছনের দিকের অংশে চাপ বেড়ে যায় আর তাতে
চোখে দেখতে সমস্যা হতে পারে। এছাড়া ব্রেনের মধ্যে যে তরল পানীয় বা সিএফএফ থাকে সেই
সিএসএফ এর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়ে ব্রেনে পানি জমে হাইড্রকেফালাস তৈরী
হতে পারে।
সিটি স্ক্যান বা এমআরআই
করে এই রোগ ডায়াগনোসিস করা যায়। তাই বলা যায় ডায়াগনোসিস হলেই চিকিৎসা করতে হবে
বা অপারেশন লাগবে বিষয়টা এরকম নয়। কখনো কখনো রুগীকে শুধুমাত্র ফলোআপ করা হয়। খুব
বড় হয়ে গেলে বা সিমটম তৈরী করলে কিছু ক্ষেত্রে সার্জারি লাগে। অনেক সময় দেখা যায়
অন্য কোন কারণে সিটি স্ক্যাান বা এমআরআই করে এটি ডায়াগনোসিস হয়, এটাকে বলে ইনসিডেন্টাল
ফাইন্ডিং। তাই বলব ডায়াগনোসিস হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এরকম হলে একজন নিউরো সার্জনের
পরামর্শ নিবেন। এর ভালো সমাধান পাবেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উনিই নির্ধারন করবেন। সিস্টের
আকার ও লক্ষনের উপর কিছু চিকিৎসা উনি দিবেন। আবারও বলি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিন্তু এই
সিস্টে অপারেশন লাগে না। সুতরাং ভয় বা আতঙ্কিত হওয়ার তেমন কিছু নেই। (ডা. মোঃ ফজলুল
কবির পাভেল।)
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?