আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫: ভারতীয় নাগরিকদের বহিষ্কারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে সউদী আরব। ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় (এমইএ) রাজ্যসভায় উপস্থাপিত সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, গত পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় সউদী আরব থেকে বহিষ্কৃত ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই তথ্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু চলতি বছরেই সউদী আরব থেকে ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ভারতীয়দের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সউদী আরবে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় শ্রমিক কাজ করার কারণে সেখানে অভিবাসনসংক্রান্ত অনিয়মের ঘটনাও বেশি সামনে আসে। মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, সউদী আরবে ভারতীয়দের বহিষ্কারের প্রধান কারণ অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম নয় বরং ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া, অনুমোদিত পেশা ছাড়া কাজ করা, নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আইন না মানা এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলোই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। উপসাগরীয় দেশগুলোতে অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। ফলে এসব অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত হলে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজ্যসভায় এক লিখিত উত্তরে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, অনেক দেশ নিয়মিতভাবে আটক বা গ্রেপ্তারের তথ্য ভারত সরকারের সঙ্গে ভাগ করে না। তবে ইমার্জেন্সি সার্টিফিকেট-এর মাধ্যমে জারি হওয়া নির্বাসনের পরিসংখ্যান বিদেশে ভারতীয় নাগরিকদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনগত ব্যবস্থার একটি নির্ভরযোগ্য সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশ মন্ত্রণালয় আরও জানায়, প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষায় ভারত সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। প্রয়োজনে কনস্যুলার সহায়তা, আইনি পরামর্শ এবং দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিসংখ্যান উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত ভারতীয়দের জন্য একটি সতর্কবার্তা। স্থানীয় আইন, ভিসার শর্ত ও শ্রমবিধি যথাযথভাবে না মানলে বহিষ্কারের ঝুঁকি দ্রুত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে তারা মনে করছেন, প্রবাসী শ্রমিকদের সচেতন করতে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আরও জোরালো উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় সউদী আরব থেকে বেশি ভারতীয় বহিষ্কারের এই তথ্য প্রবাসী অভিবাসনের বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও