আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৩ জানুয়ারী ২০২৬: বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এর একটি প্রতিবেদন নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বৃহস্পতিবার U.S. Seeks to Be ‘Friends’ With Bangladesh’s Once-Banned Islamist Party শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামী আসন্ন নির্বাচনে তাদের ইতিহাসের সেরা ফলের দিকে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দলটির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের চিন্তাভাবনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একটি অডিও রেকর্ড ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে এসেছে। এতে দেখা যায়, অতীতে একাধিকবার নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াতে ইসলামী চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের আগে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রাক্কালে আবার নিষিদ্ধ হয়েছিল। দলটি আগে শরিয়া আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা এবং নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর পক্ষে কথা বললেও সাম্প্রতিক সময়ে জনসমক্ষে নিজেদের ভাবমূর্তি নরম করার চেষ্টা করছে এবং দুর্নীতি নির্মূলকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরছে।
এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াতের সঙ্গে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিকরা। প্রতিবেদনের অডিও রেকর্ড অনুযায়ী, গত ১ ডিসেম্বর ঢাকায় নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এক মার্কিন কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ভাবধারার প্রভাব বেড়েছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো ফল করবে। তাকে বলতে শোনা যায়, আমরা তাদের বন্ধু হিসেবে পেতে চাই। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্ন করেন, তারা টেলিভিশন টকশোতে জামায়াতের প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহী কি না।
নিরাপত্তার কারণে ওই কূটনীতিকের নাম প্রকাশ করেনি ওয়াশিংটন পোস্ট। তিনি জামায়াতের মাধ্যমে শরিয়া আইন চাপিয়ে দেওয়ার আশঙ্কাকে গুরুত্ব দেননি এবং বলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চাপ প্রয়োগের নানা উপায় রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত যদি উদ্বেগজনক কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র শতভাগ শুল্ক বা বাণিজ্যিক ট্যারিফ আরোপ করতে পারে।
এ বিষয়ে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র মনিকা শাই জানান, ডিসেম্বরের আলোচনাটি ছিল দূতাবাসের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে একটি রুটিনমাফিক অফ-দ্য-রেকর্ড বৈঠক। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষ নেয় না। বাংলাদেশের জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গেই কাজ করবে বলেও তিনি জানান। তবে ওই বৈঠক নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি জামায়াতে ইসলামীর যুক্তরাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র মোহাম্মদ রহমান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অডিও মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশের সংকট ও রূপান্তরকালীন সময়ে মার্কিন কূটনীতিকরা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কীভাবে দেখছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে আসেন। তার নেতৃত্বে আসন্ন নির্বাচনকে কয়েক দশকের অস্থিরতার পর বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ড. ইউনূস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিবেদনটিতে আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটও উঠে এসেছে। পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি এবং বাণিজ্য ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এমনিতেই চাপে রয়েছে। এই অবস্থায় জামায়াতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতা দিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্কে নতুন দূরত্ব তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। যদিও মার্কিন দূতাবাসের দাবি, বাংলাদেশের নির্বাচন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা পাওয়া বাংলাদেশের রাজনীতি বহু দশক ধরে সামরিক শাসন, অস্থিরতা ও ক্ষমতার পালাবদলের মধ্য দিয়ে গেছে। গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তাকে অভ্যুত্থানে ১,৪০০ মানুষ হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী শক্ত অবস্থানে থাকবে। ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির গবেষক মুবাশার হাসান মনে করেন, জামায়াত এখন কার্যত একটি মূলধারার রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। জামায়াতের মুখপাত্র মোহাম্মদ রহমান জানান, দলটি দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন, এই চার মূলনীতিকে সামনে রেখে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং শরিয়া আইন কার্যকরের কোনো পরিকল্পনা নেই।
এই নির্বাচনে জামায়াতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। দীর্ঘ নির্বাসনের পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে জোটের সম্ভাবনা থাকলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে একসঙ্গে সরকার পরিচালনার আগ্রহ রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে জামায়াত ওয়াশিংটন ও ঢাকায় একাধিকবার মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এসব বৈঠককে যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এর মতো অন্যান্য ইসলামপন্থি দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, জামায়াত ক্ষমতায় এলে এমন কোনো নীতি গ্রহণ করলে যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, তাহলে বাংলাদেশের পোশাক খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে মার্কিন কূটনীতিকদের ধারণা, দলটি বাস্তবতার বাইরে গিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এতে নয়াদিল্লির উদ্বেগ প্রশমিত করার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। ভারত ২০১৯ সালে নিজেদের অধীনে থাকা জম্মু-কাশ্মীরে জামায়াতে ইসলামীর শাখাকে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল এবং ২০২৪ সালে আবারো সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে।
কুগেলম্যানের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক যদি আরও ভালো অবস্থায় থাকতো, তবে হয়তো নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে ভারতের উদ্বেগগুলোকে গুরুত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকানরা আরও বেশি আগ্রহী হতো। কিন্তু বর্তমানে এই অংশীদারিত্বে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা বিরাজ করায় কুগেলম্যান মনে করেন না যে, মার্কিন কর্মকর্তারা ভারতীয় উদ্বেগের প্রতি খুব একটা মনোযোগী বা সংবেদনশীল হওয়ার প্রয়োজন বোধ করবেন।
সংস্কার/ইএমই
ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি-র একটি ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ও নিখোঁজের সংখ্যা থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত লাফেরিয়ার সিটাডেল-এ
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি। আলোচনায় ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ শর্তগুলো তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিনিধিদলের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন
কুয়েতে গত ১ মার্চ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনারা। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিটি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মোটেও প্রস্তুত ছিল না এবং এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি