অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

কুয়েতে ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের বক্তব্য প্রশ্নবিদ্ধ

কুয়েতে ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের বক্তব্য প্রশ্নবিদ্ধ

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার: কুয়েতে গত ১ মার্চ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনারা। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিটি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মোটেও প্রস্তুত ছিল না এবং এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ড্রোনটি কৌশলে ঘাঁটির ভেতরে প্রবেশ করেছিল। তবে সেনাবাহিনীর ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের সদস্যরা এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। হামলায় আহত এক সেনা সিবিএস নিউজকে বলেন, ড্রোনটি ফাঁকি দিয়ে ঢুকে পড়েছেএমন দাবি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর; বাস্তবে ঘাঁটিটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই ছিল দুর্বল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় যখন বেশিরভাগ সেনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তখন ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডকে কুয়েতের দক্ষিণ উপকূলের শুয়াইবা বন্দরে পাঠানো হয়। সেনাদের ভাষ্য, এই এলাকা সরাসরি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আওতায় ছিল এবং এটি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায়ও ছিল বলে আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্য ছিল।

এক সেনা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা আরও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিতে বাধ্য হন, কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তার কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

সেনাদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। সেখানে কেবল টি-ওয়াল ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মূলত স্থল বিস্ফোরণ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়। আকাশপথের হামলা ঠেকাতে কোনো ছাদ বা ওভারহেড সুরক্ষা ছিল না। এমনকি তারা অস্থায়ী টিনের ঘরে কাজ করতেন এবং কার্যত কোনো ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না।

অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা সহকারী সচিব শন পার্নেল দাবি করেন, সেনাদের সুরক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে ৬ ফুট উচ্চতার দেয়াল ছিল। তবে সেনাদের উত্থাপিত নির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে পেন্টাগন তদন্তাধীন উল্লেখ করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৭৩ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ৫ জন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তবে অধিকাংশ সেনাই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দায়িত্বে ফিরেছেন। উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত মঙ্গলবার থেকে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে, যা চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় পাকিস্তান-চীনের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন

জরুরি অবস্থা শেষে আবার শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জারি করা রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার পর আবারও শুরু হচ্ছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের দুর্নীতির বিচার। ইসরাইলি আদালত জানিয়েছে, রোববার ১২ মার্চ ২০২৬ থেকে এ বিচারপ্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হবে। আদালতের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সাময়িক যুদ্ধবিরতি

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নির্ধারিত হামলা ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ার পর ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল তা স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলও

হরমুজ সংকটে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে চীন-রাশিয়ার ভেটো

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হতে পারেনি। চীন ও রাশিয়ার ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির পক্ষে ১১টি দেশ ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট দেয় দুই স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া। এছাড়া আরও দুইটি