আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন সূত্র জানায়, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র গোপনে ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালায়। হোয়াইট হাউস যখন প্রকাশ্যে ইরানকে চাপে রাখার দাবি করছিল, বাস্তবে তখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কৌশলগত অবস্থান, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ- ওয়াশিংটনকে আলোচনায় যেতে বাধ্য করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান এখানে মূলত বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে, যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকে। তবে ইরান সরাসরি আলোচনায় না গিয়ে পাকিস্তানের মাধ্যমে নিজেদের শর্ত তুলে ধরে এবং স্পষ্ট জানায়, কোনো শর্তাধীন আত্মসমর্পণ নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় তাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের কূটনৈতিক দৃঢ়তার প্রতিফলন। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি, অন্যদিকে গোপন আলোচনার প্রচেষ্টা, এই দ্বৈত অবস্থান ওয়াশিংটনের দুর্বলতা প্রকাশ করে এবং ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে।
এদিকে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা জন লারসনসহ কয়েকজন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের দাবি তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের উসকানি দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং মার্কিন নাগরিকদের ঝুঁকিতে ফেলেছেন ট্রাম্প।
দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ সত্ত্বেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, ইরান এখন কেবল আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, এই উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত রিজওয়ান সাঈদ শেখ জানান, কয়েক সপ্তাহের গোপন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি হয়েছে। তিনি এ প্রক্রিয়ায় চীনের ‘নীরব কিন্তু প্রভাবশালী’ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। তার মতে, বেইজিং শুরু থেকেই উভয় পক্ষকে সংযম দেখাতে এবং কূটনৈতিক পথ খোলা রাখতে উৎসাহ দিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে আশ্বাস পাওয়ায় ইরান আলোচনায় রাজি হয়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নিয়ে আলোচনা শুরু করবে।
পাকিস্তান এ সময় সৌদি আরবসহ জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে। সংকটকালীন সময়ে তারা মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে দিনে একাধিকবার পরামর্শ করেছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পুরো প্রক্রিয়ার সাফল্য অনেকটাই গোপনীয়তার ওপর নির্ভর করেছে। এই মধ্যস্থতার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা কিছুটা কমেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সংস্কার/ইএমই
চীন ও পাকিস্তানের সম্পর্ককে দীর্ঘদিন ধরেই ‘আয়রন ব্রাদার্স’ বা ‘লৌহ ভাই’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বন্ধুত্বের ইতিহাস, কৌশলগত সহযোগিতা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলায় রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় অন্তত চারজন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কির মতে, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল কিয়েভ। রোববার ভোর পর্যন্ত
চার সপ্তাহের ধারাবাহিক আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন। ফলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন শেষ হয়েছে
বাংলাদেশে পুশব্যাক বা ঠেলে পাঠানো কয়েকজন ব্যক্তিকে পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির সুপ্রিম কোর্টে এ তথ্য জানিয়েছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে তিনি