আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার: রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনসহ সাত দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, গ্রহণযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া গ্রাহকদের আস্থা ফিরবে না। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত পর্ষদ গঠনের আশ্বাস দিলেও বারবার সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। বর্তমানে একজন নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে বৃহৎ এই ব্যাংক পরিচালনা সমীচীন নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে আগে দায়িত্বে থাকা সৎ, দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানান।
সমাবেশে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রুত সংসদে পাসের দাবি জানানো হয়, যাতে ব্যাংক লুটেরাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে কোনো ব্যাংকের পরিচালনায় থাকতে না পারেন। এছাড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণার গেজেট দ্রুত প্রকাশ, এস আলম গ্রুপসহ ব্যাংক খাতে অনিয়মে অভিযুক্তদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের ঋণের সঙ্গে সমন্বয় এবং ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের দাবি তোলা হয়। ফোরামের সদস্য ইয়াসিন ২০১৭ সালের আগের অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পুনর্বহাল, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, খেলাপি ঋণ আদায় এবং এস আলম গ্রুপের শেয়ার ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের দাবিও জানান।
ফোরাম ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ১৪ জুলাই দেশের সব জেলা সদরে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। দাবি পূরণ না হলে ১৮ জুলাই সারা দেশের গ্রাহকদের নিয়ে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাপের মধ্যেও ইসলামী ব্যাংকিং খাত সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। মার্চ শেষে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.২৬ শতাংশ কম হলেও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮.৩৫ শতাংশ বেশি। মোট ব্যাংকিং খাতের ২৩.৬২ শতাংশ আমানত এখন ইসলামী ব্যাংকিংয়ের আওতায়। একই সময়ে মোট বিনিয়োগ বেড়ে হয়েছে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.৩৫ শতাংশ এবং আগের বছরের তুলনায় ৪.৮৬ শতাংশ বেশি। দেশের মোট ব্যাংকিং বিনিয়োগের ২৯.০৯ শতাংশ এখন ইসলামী ব্যাংকগুলোর হাতে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের ১,৭০০টি শাখা, ১৭টি প্রচলিত ব্যাংকের ৪৯টি ইসলামী শাখা এবং ২১টি ব্যাংকের ৯৭৬টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে। সব মিলিয়ে শরিয়াহভিত্তিক সেবা দিচ্ছে ১,৭৪৯টি শাখা। আমানতের ৩৮.৩৫ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বড় অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। এরপর রয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আমানতের উচ্চমাত্রার কেন্দ্রীভবন প্রতিযোগিতা ও ঝুঁকি, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।
আমানতের ৫১.৩৫ শতাংশ মুদারাবা মেয়াদি আমানত, ১৯.২৯ শতাংশ মুদারাবা সঞ্চয়ী আমানত এবং ১৬.৫৬ শতাংশ অন্যান্য আমানত। দীর্ঘমেয়াদি আমানত তহবিল স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হলেও সংকটের সময় বড় অঙ্কের অর্থ উত্তোলনের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মোট বিনিয়োগের ৩৬.০৩ শতাংশ করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, এরপর ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ১১.৮৮ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংক ১০.১৬ শতাংশ এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক।
খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ৩৯.৯৭ শতাংশ বড় শিল্পে এবং ৩৩.১২ শতাংশ বাণিজ্য ও কমার্সে গেছে। বিপরীতে কৃষি, মৎস্য ও বন খাতে বিনিয়োগ মাত্র ১.৮২ শতাংশ এবং সিএমএসএমই খাতে ৭.৪৩ শতাংশ। মোট অর্থায়নের ৪৯.৬০ শতাংশ হয়েছে বাই-মুরাবাহা পদ্ধতিতে, যেখানে মুশারাকা ও মুদারাবাভিত্তিক অর্থায়নের অংশ যথাক্রমে মাত্র ০.৫৫ ও ০.১৭ শতাংশ। কৃষি খাতে বিনিয়োগ বেড়ে ১ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যের ৯৩.৩৭ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জনআস্থা হ্রাস, সম্পদের মানের অবনতি এবং শরিয়াহসম্মত স্বল্পমেয়াদি তারল্য ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতার কারণে ইসলামী ব্যাংকগুলো এখনো চাপে রয়েছে। এ অবস্থায় কয়েকটি ইসলামী ব্যাংককে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং ইসলামী আন্তঃব্যাংক মানি মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্চ শেষে অতিরিক্ত তারল্য ছিল ১৯ হাজার ২০৪ কোটি টাকা।
জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ইসলামী ব্যাংকগুলোর রপ্তানি আয় ৩.৮৪ শতাংশ কমে ৩০ হাজার ৩২১ কোটি টাকা, আমদানি নিষ্পত্তি ১১.৫১ শতাংশ কমে ৪১ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা এবং প্রবাসী আয় ৯.১৮ শতাংশ কমে ২৫ হাজার ১১ কোটি টাকায় নেমেছে। তবে দেশের মোট রেমিট্যান্সের ২০.৫৪ শতাংশ এখনো ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে। একই সময়ে সবুজ অর্থায়ন বেড়ে ১৯ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, ইসলামিক মাইক্রোফাইন্যান্স ৭ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা এবং নারী উদ্যোক্তা অর্থায়ন ৫ হাজার ৫৭১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। সিএসআর খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। মার্চ শেষে সরকারি সুকুকের স্থিতি ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং প্রান্তিকে ইস্যু হওয়া দুটি নতুন সুকুক অতিরিক্ত চাহিদার মুখে পড়ে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুপারিশ করেছে, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে গ্রামীণ এলাকায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে অর্থায়ন বৃদ্ধি, প্রকৃত মুশারাকা-মুদারাবাভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএফ)-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং দেশের আর্থিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলেও খাতের প্রকৃত শক্তি নির্ভর করে সুশাসন, সম্পদের গুণগত মান এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের ওপর। তিনি দীর্ঘমেয়াদে করপোরেট সুশাসন জোরদার এবং প্রকৃত মুনাফা-লোকসান ভাগাভাগিভিত্তিক অর্থায়ন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংস্কার/ইএমই
দেশের অন্যতম শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর ও গৌরবময় সাফল্য উৎসব’ আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা প্রায় দুই হাজার সফল উন্নয়ন কর্মী, বীমা শিল্পের প্রতিনিধি
উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য বিস্তারিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। সোমবার
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষ ব্যবস্থারত ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই)কে নগদ সহায়তা বা তারল্য সুবিধা দেওয়ার নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাসেট পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ বিষয়ে নতুন একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে,
এইচএসবিসি বাংলাদেশের রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের নামে ২৫৭ কর্মকর্তাকে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, কর্মীদের ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে