আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: বাংলাদেশ ব্যাংক এর নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে ১১ দফা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নরের দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
গভর্নরের বক্তব্যে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্জিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ভিত্তি করে এখন লক্ষ্য হবে, বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অর্থনীতিকে ‘লো লেভেল ইক্যুইলিব্রিয়াম’ থেকে উচ্চতর প্রবৃদ্ধির পথে নেওয়ার রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।
গভর্নরের ১১ দফা অগ্রাধিকার, ১. সামষ্টিক স্থিতিশীলতা অটুট রাখা, বৈদেশিক লেনদেন, রিজার্ভ, মুদ্রানীতি ও রাজস্ব সমন্বয়ের ভারসাম্য যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তার মতে, স্থিতিশীলতা ছাড়া টেকসই প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। ২. অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, শুধু জিডিপি বাড়ানো নয়, প্রবৃদ্ধি হতে হবে ‘ইনক্লুসিভ’। শিল্প, এসএমই, কৃষি ও সেবা খাতে সমান সুযোগ তৈরি করে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে নীতির প্রধান সূচক। ৩. বন্ধ শিল্প-প্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবন, গত দেড় বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সচল করতে নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়া হবে। ঋণ পুনঃতফসিল, সুদে ছাড় ও বিশেষ তহবিলের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে। লক্ষ্য—উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানো। ৪. সুদের হার যৌক্তিকীকরণ, উচ্চ সুদের হারকে বিনিয়োগের অন্যতম বাধা হিসেবে উল্লেখ করে গভর্নর জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় সুদের হার সমন্বয় করা হবে, যাতে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ না পড়ে। ৫. মূল্যস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ‘প্রাইস স্ট্যাবিলিটি’ বজায় রাখা হবে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রয়োজনে কঠোর বা নমনীয় মুদ্রানীতি প্রয়োগ করা হবে। ৬. ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, অনিয়ম, পক্ষপাত ও অস্বচ্ছতা রোধে কঠোর নজরদারি থাকবে। অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে। ৭. তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, সব সিদ্ধান্ত হবে তথ্য-উপাত্ত ও নীতিমালাভিত্তিক। এতে নীতি-অনিশ্চয়তা কমবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। ৮. নিয়মভিত্তিক ব্যাংক পরিচালনা, ঋণ বিতরণ, পুনঃতফসিল, লাইসেন্সিং ও তদারকিতে সমান নীতি প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।, ৯. সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিকেন্দ্রীকরণ, ডেলিগেশন অব অথরিটি বাড়িয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানো হবে, যাতে ফাইলজট কমে। ১০. আন্তঃসংস্থাগত সমন্বয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, রাজস্ব বোর্ড ও পরিকল্পনা কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে। ১১. প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে স্বচ্ছতা ও পেশাদারত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নিয়োগ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন: দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, নতুন গভর্নর পেশাদার ব্যবসায়ী হওয়ায় স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর-এর প্রস্থানকে তারা ‘আনপ্রফেশনাল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, নতুন সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনতেই পারে। তবে বিদায়ী গভর্নরের প্রস্থান সম্মানজনক হতে পারত। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়া নতুন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং ভবিষ্যতে যোগ্য ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা সংস্থা সানেম-এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, একজন ব্যবসায়িক পটভূমির ব্যক্তিকে এই পদে বসানোয় সম্ভাব্য স্বার্থ-সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ কী হবে।
ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা : বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, একজন ব্যবসায়ী গভর্নর হওয়ায় তারা আশাবাদী। অর্থনীতির গতি সঠিক পথে আনতে এবং চুরি যাওয়া রিজার্ভ উদ্ধারে তার কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি। তবে বিদায়ী গভর্নরের বিদায় সম্মানজনক হওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন।
দক্ষিণ এশিয়ার গভর্নরদের প্রোফাইল : ভারত: গভর্নর ড. সঞ্জয় মালহোত্রা, সাবেক আইএএস ও অর্থ সচিব; প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স, কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি। শ্রীলঙ্কা: গভর্নর ড. নন্দলাল বীরাসিংহ, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ও পিএইচডি; আইএমএফের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ। নেপাল: গভর্নর ড. বিশ্বনাথ পৌডেল, ন্যাশনাল প্ল্যানিং কমিশনের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান; ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি। ভুটান: গভর্নর দাশো ইয়াংচেন, দেশটির প্রথম নারী গভর্নর; অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স। মালদ্বীপ: গভর্নর আহমেদ মুনাওয়ার, সাবেক অর্থমন্ত্রী; ম্যাককোয়ারি ইউনিভার্সিটি থেকে মোনেটারি ইকোনমিক্সে মাস্টার্স। বাংলাদেশ: গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য; হেরা সোয়েটার্স গার্মেন্টসের এমডি; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম (অ্যাকাউন্টিং), আইসিএমএবি থেকে সনদপ্রাপ্ত।
টিআইবি’র উদ্বেগ : আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নতুন গভর্নর নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নতুন গভর্নর স্বার্থের দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে উঠে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাক, আবাসন ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী লবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে সম্ভাব্য প্রভাবমুক্ত থেকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে। টিআইবি আরও বলেছে, চলমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আর্থিক খাতে সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়া গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।
সংস্কার/ইএমই
রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনসহ সাত দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, গ্রহণযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া গ্রাহকদের আস্থা
দেশের অন্যতম শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর ও গৌরবময় সাফল্য উৎসব’ আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা প্রায় দুই হাজার সফল উন্নয়ন কর্মী, বীমা শিল্পের প্রতিনিধি
উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য বিস্তারিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। সোমবার
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষ ব্যবস্থারত ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই)কে নগদ সহায়তা বা তারল্য সুবিধা দেওয়ার নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাসেট পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ বিষয়ে নতুন একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে,