আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ১২ নভেম্বর ২০২৫ : দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েলি সামরিক হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। এখন সেখানে কেবল ভবন নয়, ভেঙে পড়েছে অসংখ্য মানুষের জীবনও। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, অন্তত ৬ হাজার ফিলিস্তিনি তাদের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন-যার মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশই শিশু। এই সংখ্যা শুধু যুদ্ধের নিষ্ঠুরতাই নয় বরং এক প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত বহন করে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সূচনা ২০২৩ সালের অক্টোবরে, যখন ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক বিমান ও স্থল অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এই হামলায় শহরগুলো মাটির সঙ্গে মিশে গেছে, হাসপাতাল, ঘরবাড়ি, স্কুল সবই নিশ্চিহ্ন। আনাদোলু এজেন্সির ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যুদ্ধের এই দুই বছরে অঙ্গচ্ছেদের মর্মান্তিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গচ্ছেদ হওয়া আহতদের ২৫ শতাংশ শিশু এবং ১২ দশমিক ৭ শতাংশ নারী। অর্থাৎ, সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষগুলো-নারী ও শিশুরাই, এ যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। গাজার হাসপাতালগুলো এখন পরিণত হয়েছে যন্ত্রণার আশ্রয়স্থলে। চিকিৎসকরা সীমাহীন সংকটের মুখে লড়ছেন; পর্যাপ্ত ওষুধ, ব্যান্ডেজ, কিংবা কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির উপকরণ নেই। ফলে অসংখ্য আহত মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা ও সংক্রমণের ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে ইসরায়েলি অবরোধ এখনো বহাল। আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলোর ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম গাজায় পৌঁছাতে পারছে না। এর ফলে হাজার হাজার আহত মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অনেকে সংক্রমণে মারা যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক পুনর্বাসন এখন সবচেয়ে জরুরি-বিশেষত সেই শিশুদের জন্য, যারা শৈশবেই নিজেদের হাত-পা হারিয়েছে। এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং প্রতিটি সংখ্যা একটি ভাঙা পরিবারের গল্প। তারা জানায়, অনেক পরিবারে মা-বাবা দু’জনই আহত হয়ে পড়েছেন; ফলে অসংখ্য শিশু এখন একা, অসহায়। তাদের অনেকেই অচল বা আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, যদি দ্রুত পুনর্বাসন ও মানসিক সহায়তা না দেওয়া হয়, এই প্রজন্ম স্থায়ীভাবে বিকল ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৬৯ হাজার ফিলিস্তিনির প্রাণ কেড়েছে। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ জন, যাদের অনেকে আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন। এছাড়া প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ, ধারণা করা হচ্ছে - তারা ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে আছেন। প্রতিদিনই উদ্ধার অভিযানে নতুন নতুন মৃতদেহ কিংবা বিকলাঙ্গ জীবিত মানুষ উদ্ধার হচ্ছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে। এখন গাজার যুদ্ধ কেবল অস্ত্রের সংঘাত নয়, বরং এক পূর্ণাঙ্গ মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। হাজারো মানুষ হুইলচেয়ার ও ক্রাচে ভর করে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। যাঁরা ছিলেন পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, তাঁরা এখন সম্পূর্ণ অচল। শিশুরা স্কুলে ফিরতে পারছে না, শিক্ষা ও স্বপ্ন দু’টোই হারিয়েছে। চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের অভাবে তারা ক্রমেই এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অবস্থার ভয়াবহতা সত্ত্বেও, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এখনো সীমিত। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করলেও অবরোধের কারণে গাজায় ত্রাণ পৌঁছানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। খাদ্য, জ্বালানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটে প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষায়-গাজার বর্তমান পরিস্থিতি এখন কেবল এক যুদ্ধ নয়, বরং “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” হিসেবে বিশ্ব বিবেকের সামনে তদন্তের দাবি রাখে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।
সংস্কার/ইএফহ
পাকিস্তান ও তুরস্ক প্রতিরক্ষা, মহাকাশ উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়েছে। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তুরস্ক সফরকালে পাকিস্তান
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩৩ বছর পূর্তির এই দিনে, ভারতের উত্তর প্রদেশের ঐতিহাসিক সেই ঘটনার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নামে নতুন একটি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠানের এই দায়িত্ব পালন করবেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে
পশ্চিম তীরের হেবরনে পরিস্থিতি আবারও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে,কারণ ইসরায়েলি প্রশাসন মুসলিমদের জন্য ইব্রাহিমি মসজিদের গেট বন্ধ করে দিয়েছে এবং পুরোনো শহরজুড়ে কঠোর কারফিউ কার্যকর করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দখল,টহল এবং বসতি স্থাপনকারীদের উপস্থিতির কারণে উত্তেজনা বিরাজমান এই এলাকা
জর্জিয়া ও আজারবাইজান সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় তুরস্কের একটি সি-১৩০ সামরিক পরিবহন বিমান ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানে থাকা ২০ সেনা সদস্যের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন। ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর ২০২৫, আজারবাইজান থেকে তুরস্কে