অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

গর্ভাবস্থায় এই খাবার খেলে সন্তান হার্টের সমস্যা নিয়ে জন্মায়

গ্রন্থনাঃ উসামা মোহাম্মদ

গর্ভাবস্থায় উচ্চ কলেস্টেরল যুক্ত চর্বি ও বেশী চিনি খেলে সন্তান জন্ম নিতে পারে হার্টের সমস্যা নিয়ে। গবেষকেরা ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে, যেসব ইঁদুর গর্ভাবস্থার আগে ও গর্ভাবস্থায় চর্বি ও চিনিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েছে এদের বাচ্চা জন্ম নিয়েছে দুর্বল হার্র্ট নিয়ে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, এ ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা তিন প্রজন্ম পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। এমনকি শেষ প্রজন্মের ইঁদুরটি স্থূল না হলেও  মানসম্পন্ন খাবার খাওয়ার পরও দুর্বল হার্টের সমস্যা রয়েই গেছে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির সেন্ট লুইসের স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকেরা গর্ভ ধারণ করার আগে এবং গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ধরে রাখা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা তুলে ধরেছেন। স্থূলকায় মা ইঁদুরের বেশীর ভাগ শিশুর বাম ভেন্ট্রিকলের (ভেন্ট্রিকল রক্ত পাম্প করে হার্টের বাইরে পাঠিয়ে থাকে) ওজন বেশী ছিল।

গবেষকেরা বলেন, মানব দেহে বাম ভেন্ট্রিকলের বেশী ওজন দুর্বল হার্ট মাসলের পরিচায়ক, যা হার্ট ফেইলিওর ঘটিয়ে থাকে। গবেষকেরা দেখেছেন যে, তৃতীয় প্রজন্মের স্ত্রী ইঁদুর ছানাদের মধ্যে হার্ট ফেইলিওরের ইতিহাস কম। তারা এ প্রসঙ্গে বলছেন, পুরুষ ও স্ত্রী ইঁদুরের হার্টের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে, যা এ মুহূর্তে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তারা বলেন, এই গবেষণায় অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে, কিন্তু সব প্রশ্নের উত্তর জানা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আমরা আরো গবেষণা চালিয়ে যাব। ব্রিটেনের ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এ গবেষণায় বলা হয়, সমস্যাটা স্থূল মায়ের অথবা স্থূল মা ইঁদুরের প্রজনন পদ্ধতির কি না তা জানতে গবেষকেরা স্থূল মা ইঁদুরের উর্বর ডিম্বানু স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের মা ইঁদুরের দেহে স্থাপন করে দেখতে পান যে, সেই ডিম থেকে জন্ম নেয়া ইঁদুর ছানাদের একই হার্ট সমস্যা রয়েই গেছে। এই হার্ট সমস্যা এমনিতেই এদের মা থেকে ছানাদের মধ্যে চলে আসেনি। তারা দেখেছেন স্থূল মা ইঁদুরের পুরুষ ছানাকে মানসম্মত খাবার খাওয়ানোর পরও সে যে বাচ্চা উৎপাদন করেছে ওদেরও হার্টে একই ধরনের সমস্যা ছিল। গবেষকেরা ইঁদুরের শরীরের পাওয়ার স্টেশন বলে খ্যাত ক্ষুদ্র মাইটোকন্ড্রিয়াতে পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন।

ইউনাইটেড মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিজিজ ফাউন্ডেশনের তথ্যে বলা হয়েছে যে, এটা বিস্ময়কর যে, মানব শরীরে মা থেকে যেসব রোগ উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তান পেয়ে থাকে তা মাইটোকন্ড্রিয়াল সমস্যার কারণেই হয়ে থাকে। কারণ মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ মা থেকে সন্তানে চলে আসে।

এই গবেষণার সহ-গবেষক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অবস অ্যান্ড গাইনিকোলজির অধ্যাপক ড. কেলি জানিয়েছেন, আমরা এখন জানি যে, গর্ভবতী মায়ের স্থূলতা অনাগত সন্তানের হার্ট সমস্যার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি পুরুষ ইঁদুর থেকেও এ সমস্যা স্থানান্তরিত হচ্ছে বাচ্চাদের দেহে। আমাদের গবেষণা শুরু করতে হবে, ডিম ও শুক্রাণুর ডিএনএর নিউক্লিয়াসে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না।

 

সম্পর্কিত খবর

গ্লোবাল ডায়াবেটিস নিয়ে নতুন উদ্বেগ : উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর

হাসপাতালে ভেন্টিলেশন কাদের জন্য এতে কী জানা যায়

হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং

কিডনি ঠিক আছে কিনা জানা যাবে ঘরেই করা সহজ পরীক্ষায়

আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব

কিডনি বা পিত্তথলির পাথর কেনো হয়, কী ভাবে এ প্রবণতা আটকানো যায়

কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?