আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩ মার্চ ২০২৬: ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) বলেছে, এ ধরনের কোনো সমন্বিত কর্মসূচির প্রমাণ তারা পায়নি। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ইরানের কোনো সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত কর্মসূচির আলামত এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি। তবে তেহরান ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে, যা বেসামরিক জ্বালানির প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত এ ধরনের মজুদ কেবল পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলোর কাছেই দেখা যায়।
গ্রোসি বলেন, পরিদর্শক ও তদন্তকারীরা এখনো এমন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি যে ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির পরিকল্পনা করছে। তবে ইউরেনিয়ামের বড় মজুদ গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে এবং এই মজুদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়। তাত্ত্বিকভাবে এই পরিমাণ ইউরেনিয়াম দিয়ে ১০টিরও বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু বাস্তবে ইরানের কাছে সেগুলো আছে কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরি ও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থামাতেই যুদ্ধ প্রয়োজন ছিল। অন্যদিকে ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে আসছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলাকে উসকানিবিহীন আগ্রাসন বলে উল্লেখ করেছে।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। সমঝোতা চুক্তিতে সই করার মাত্র তিন বছরের মধ্যেই ওয়াশিংটন সেই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়।
সংস্কার/ইএমই
ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি-র একটি ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ও নিখোঁজের সংখ্যা থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত লাফেরিয়ার সিটাডেল-এ
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি। আলোচনায় ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ শর্তগুলো তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিনিধিদলের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন
কুয়েতে গত ১ মার্চ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনারা। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিটি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মোটেও প্রস্তুত ছিল না এবং এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি