আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৫ মার্চ ২০২৬ বুধবার: ইতালিতে বিচার বিভাগীয় সংস্কার নিয়ে আয়োজিত ঐতিহাসিক গণভোটে প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনির নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থী সরকার বড় পরাজয় বরণ করেছে। ২২ ও ২৩ মার্চ ২০২৬ অনুষ্ঠিত ভোটে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ‘না’ দিয়ে সরকারের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। একে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চূড়ান্ত ফলাফলে প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন। ভোটের ভাগ: ‘না’ ৫৪.৬৩% ও ‘হ্যাঁ’ ৪৫.৩৭%। রেকর্ডসংখ্যক ৮৩% ভোটার উপস্থিত ছিলেন। ২০টি বিভাগের মধ্যে ১৭টিতে ‘না’ জয়ী হয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর মেলোনি প্রথমবার বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরাজিত হলেন।
ইতালির কমিউনিটি নেতা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে। বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতালীয় নাগরিকও ‘না’ ভোট দিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে এই গণভোট মেলোনি সরকারের বড় অগ্নিপরীক্ষা ছিল। গণভোটের ফলাফলের পর মেলোনি বলেন, “জনগণের রায় শিরোধার্য, তবে দেশকে আধুনিক করার সুযোগ হাতছাড়া হলো।”
সরকার দাবি করেছিল, বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে সংস্কার প্রয়োজন। বিরোধীরা বলেছিলেন, এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ভোটাররা সেই আশঙ্কা সত্য প্রমাণ করে সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিজয়ের খবরে রোমে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশাল আনন্দ মিছিল ও উৎসব দেখা গেছে।
সংস্কার/ইএমই
ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি-র একটি ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ও নিখোঁজের সংখ্যা থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত লাফেরিয়ার সিটাডেল-এ
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি। আলোচনায় ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ শর্তগুলো তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিনিধিদলের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন
কুয়েতে গত ১ মার্চ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনারা। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিটি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মোটেও প্রস্তুত ছিল না এবং এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি