আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ জানুয়ারী ২০২৬: তীব্র শীতের মধ্যেই আসামের সোনিতপুর জেলায় বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। সময় চেয়েও রেহাই পান নি বাসিন্দারা। গত ৫ ও ৬ জানুয়ারি সোনিতপুর জেলার বুড়াচাপড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ১২০০ বাঙালি মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দাবি, এই অভিযানে প্রায় ৬৫০ হেক্টর জমি থেকে কথিত দখলদারিত্ব উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বক্তব্য, নদীভাঙনের শিকার হয়ে তারা কয়েক দশক ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন। বার্তা সংস্থা পিটিআই জানায়, তেজপুর সদর ও ঢেকিয়াজুলি রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন জামুকতল, আরিমারি, শিয়ালচর, বাঘেটাপু, গলাতিডুবি, লাঠিমারি, কুণ্ডুলিচর, পূর্ব দুবরামারি ও বাতুলিচর এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, কথিত দখলদাররা অভয়ারণ্যের ভেতরে ঘরবাড়ি তৈরি করে চাষাবাদ করছিলেন। অভিযানের আগে অনেক বাসিন্দা নিজেরাই ঘর ভেঙে এলাকা ছেড়ে চলে যান। তবে তীব্র শীতের কারণে অনেক পরিবার সেখানে থেকেই যায় এবং ফসল কাটার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চেয়েছিল। আবেদন সত্ত্বেও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। সোনিতপুরের জেলা প্রশাসক আনন্দ কুমার দাস জানান, দখলদাররা অবৈধভাবে বনভূমিতে অবস্থান করছিল এবং শীতের অজুহাতে এই অভিযান থেকে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই অভয়ারণ্য ও পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে আসামের অন্যতম বড় উচ্ছেদ অভিযানে ২,০৯৯ হেক্টর জমি দখলমুক্ত করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে আসামে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যজুড়ে একাধিক উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, যার বড় অংশই বাঙালি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায়। নর্থইস্ট নাও-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন, এসব অভিযানের মাধ্যমে সরকার এ পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ বিঘা জমি পুনরুদ্ধার করেছে।
উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর অনেকেই বলেন, তারা কয়েক দশক ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন। নদীভাঙনের কারণে তাদের পূর্বপুরুষরা ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের জমি হারিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে গোয়ালপাড়া জেলার বেটবাড়ি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।
শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও জানান, হোজাই জেলার যমুনা মৌদাঙ্গা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৫ হাজার বিঘারও বেশি জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বনভূমি বা সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারিত্ব কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। সরকারি তথ্যমতে, যমুনা মৌদাঙ্গা সংরক্ষিত বনাঞ্চলটি ৮ হাজার বিঘারও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে ৫ হাজার ২৫০ বিঘা জমি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১,৫০০ এরও বেশি পরিবার অবৈধভাবে দখল করে ছিল।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী শর্মা জানান, শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বনভূমি পুনরুদ্ধারের মিশন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে আর কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হবে না। হোজাই জেলার জেলা প্রশাসক বিদ্যুৎ বিকাশ ভগবতী বলেন, কিছু বাসিন্দা ৩০ বছর এবং কেউ কেউ ২০ বছর ধরে সেখানে বসবাসের দাবি করেছেন। তবে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, এসব পরিবারের বনভূমির বাইরে হোজাই ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে নিজস্ব জমি রয়েছে এবং তারা মূলত চাষাবাদের জন্য বনাঞ্চলের জমি দখল করেছিল।
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকার উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসব অভিযানে তুলনামূলকভাবে বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন বছরের প্রথম দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ বছরে রাজ্যে ১ দশমিক ৪৫ লাখ বিঘা বনভূমি ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
চীন ও পাকিস্তানের সম্পর্ককে দীর্ঘদিন ধরেই ‘আয়রন ব্রাদার্স’ বা ‘লৌহ ভাই’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বন্ধুত্বের ইতিহাস, কৌশলগত সহযোগিতা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলায় রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় অন্তত চারজন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কির মতে, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল কিয়েভ। রোববার ভোর পর্যন্ত
চার সপ্তাহের ধারাবাহিক আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন। ফলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন শেষ হয়েছে
বাংলাদেশে পুশব্যাক বা ঠেলে পাঠানো কয়েকজন ব্যক্তিকে পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির সুপ্রিম কোর্টে এ তথ্য জানিয়েছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে তিনি