আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতএহ্সান
উল্লাহ্
ভালো
বাংলা শেখার এবং লেখার প্রতি
গভীর আগ্রহ বা টান মূলত:
আমি লাভ করি আমার
শ্রদ্ধেয় শিক্ষক নওগাঁ কো-অপারেটিভ হাই
মাদরাসা (বর্তমান বি. এস. সি.
সরকারি মহিলা কলেজ) এর বাংলা শিক্ষক
মরহুম হেড পন্ডিত জনাব ছমির উদ্দিন সাহেব
এর কাছে। ইনি নর্মাল পাশ
ছিলেন। বৃটিশ আমলে নর্মাল স্কুল
ছিল রংপুরে। স্যারের পৈত্রিক নিবাস রাজশাহীতে। থাকতেন কে. ডি. হাই
স্কুলের মুসলিম বডিং এ. আর
একটি হিন্দু বর্ডিংও ছিল। স্যারের পৈত্রিক
নিবাস রাজশাহীতে। তিনি কে. ডি.
হাই স্কুলে হেড মাওলানা নোয়াখালী
নিবাসী মরহুম এছাহাক সাহেবর বাসায় যেতেন। যাই হোক-মূল
প্রসঙ্গে ফিরে আসি। মূলত: আমার বাংলা ভাষা
শেখার মুল উৎস হেড পন্ডিত সাহেব। তারপর
ঐ মাদরাসারই ইংরেজী শিক্ষক মরহুম জনাব মোজাম্মেল হক সাহেব
বি.এ এবং ঐ
মাদরাসারই মেধাবী ছাত্র কফিল ভাই। এদের হেনুকুল্যে বাংলা শেখার ও লেখার প্রভুত
উৎসাহ ও প্রেরণা পাই।
এ ছাড়া রাজশাহী
সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ড. এনামুল হক
সাহেব রচিত বাংলা রচনা
গ্রন্থটি হতে আমি আরো
প্রেরণা লাভ করি। এখানে
প্রাসংঙ্গিকতার প্রয়োজনে উল্লেখ করা দরকার-শ্রদ্ধেয়
হেড পন্ডিত ছমির
উদ্দিন সাহেবের মত এত ভালো
বাংলা জাননেওয়ালা শিক্ষক নওগাঁতে আর দ্বিতীয় কেউ
ছিল না। টেস্ট পরিক্ষায়
বাংলা সেকেন্ড পেপারে তার কাছে ৭২
নম্বর পাই। যা দুঃসাধ্য
এবং দুস্প্রাপ্য ছিল। কিন্তু অতীব
দু:খের বিষয় বাংলায়
এম. এ. পাশ আমার
ভাগ্যে জোটেনি। কারণ বি. এ.
পাশ করার পর আমার
মরহুম শ্রদ্ধেয় পিতা বলেছিলেন ‘তোর
আরো ছোট ভাই আছে
তাদেরকে এডুকেশন দিতে হবে। এখন
তুই চাকরী-বাকরী কর’। বলতে
ভুলে গিয়েছি বি.এ ফাইনাল
পরীক্ষায় আমি বাংলায় ৬৪
নম্বর পাই। আমার বাবা
আমাকে বাংলা ভাষা শেখার জন্য
প্রভূত উৎসাহ প্রদান করতেন। তিনি প্রাইমারী স্কুলের
শিক্ষক ছিলেন। গুরু ট্রেনিং (জি.
টি. বর্তমানে পিটিআই) পাশ ছিলেন। যা
হোক শিক্ষার ও শেখার কোন
শেষ নেই। শুধু শেখার
ও পড়ার আগ্রহটাই বড়
কথা। কলেজে যখন আই. এ
পড়ি তখন বেঙ্গলী লিটারেচার
আমার অন্যতম বিষয় ছিল। বাংলার
সুদক্ষ এবং অভিজ্ঞ অধ্যাপক
জনাব সাদেক আলী সাহেব বাংলা
সাহিত্যের ইতিহাস ও রবীন্দ্রনাথের ‘মানসী’
কাব্য গ্রন্থের নির্বাচিত কবিতা খুব প্রাঞ্জল ও
সুললিত ভাষার লেকচার দিয়ে পড়াতেন এবং
বুঝাতেন। আমি মনযোগ সহকারে
শুনতাম এবং খাতায় নোট
করে নিতাম। এমন কি হুবহু
মনেও রাখতাম। এই ভাবে বাংলা
ভাষা শেখার ও লেখার আগ্রহ
জন্মে। আসলে পড়ার ও
লেখার এবং শেখার ইচ্ছা
ও চর্চা করার ঐকান্তিকতা মূল
কথা। আর জ্ঞান চর্চা
ও অর্জনের সবচেয়ে বড় পাঠশালা হলো
উম্মুক্ত ও বিরাট বিশ^
প্রকৃতি। এই বিশ্ব প্রকৃতির
খোলা পাদপৃষ্ঠে দাঁড়িয়ে যে শিক্ষা অর্জন
করা যায় তা স্কুল
ও কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি
হতে ডিগ্রী লাভের চেয়ে কোন অংশে
কম নয়। আর
একটি কথা বলা আবশ্যক।
হয়তো এই লেখার সাথে
সামঞ্জস্য হবে না; তবুও
লেখার সৌষ্ঠব বর্দ্ধনের খাতিরে উল্লেখ করি-নারীর ঠোঁট
যতই সুন্দর হোক সে ঠোঁটে
যদি হাসি না থাকে
তা হলে সে ঠোঁটের
কোন মূল্য নেই। ঠিক তেমনি
লেখার বিষয় বস্তু, ভাব,
ভাষা, শব্দ-চয়ন যদি
সুন্দর না হয় তা
হলে সেই লেখা নারীর
হাস্যহীন ঠোঁটের মতই অসুন্দর ও
মূল্যহীন।
বিচিত্র এই পৃথিবীর দিকে তাকালে অনেক সময় অনেক কিছুই খারাপ লাগে। মনে হয় এ ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন না হলে ভালো হতো। কিন্তু কি করা? এই ধরুন! আমরা এখন করোনা মহামারী কাল অতিক্রান্ত করছি। করোনা আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের সকল প্রান্তেই হানা দিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, করোনার ব্যক্তিগত কোনো শক্তি না থাকলেও এটা যে আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো একটি শাস্তি তাতে কোন সন্দেহ নেই। আমাদের বাংলাদেশে করোনা এখন আর নেই!