আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ মে ২০২৬ শনিবার: গাজায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর থাকলেও ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি, এমন দাবি করেছেন খোদ ইসরায়েলি সেনারাই। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া তিন ইসরায়েলি সেনার সাক্ষাৎকার ও যুদ্ধবিরতি লাইনের বাস্তব পরিস্থিতি থেকে এ তথ্য সামনে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরুর পর গাজা উপত্যকাকে ইসরায়েল ও হামাস-নিয়ন্ত্রিত অংশে ভাগ করতে একটি অস্থায়ী সীমানা নির্ধারণ করা হয়, যা ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত। তবে এই সীমানার অবস্থান অনেক এলাকায় অস্পষ্ট এবং কোথাও কোথাও সম্পূর্ণ অচিহ্নিত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রিজার্ভ সেনা জানান, যুদ্ধবিরতির নিয়ম নিয়ে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেক কমান্ডার প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির কথা বললেও ব্যক্তিগতভাবে কঠোর অবস্থান নিতে উৎসাহ দেন। এক সেনার ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়েলো লাইনের কাছে এলে বা পার হওয়ার চেষ্টা করলে ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ ছিল। কিছু ক্ষেত্রে “লাইন পার হলেই গুলি” করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তিনি আরও বলেন, সহকর্মীদের কেউ কেউ গুলি চালানোর পর উল্লাস প্রকাশ করতেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের বড় অংশ ইয়েলো লাইনের কাছাকাছি বা তা পার হওয়ার সময় মারা যান। এদের মধ্যে বেসামরিক মানুষ
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও