আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার: সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও রয়েছে।
অন্যদিকে বাকি ১১৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি হুবহু এবং ১৬টি সংশোধিত আকারে সংসদে পাস হয়েছে। এবারের অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল পাস হয়েছে, যেখানে কিছু বিলে একাধিক অধ্যাদেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। অল্প সময়ে এত সংখ্যক বিল পাস হওয়া সংসদের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
বিরোধী দলের অভিযোগ, এসব অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, কিন্তু সরকার তা গুরুত্ব দেয়নি। এ কারণে অধিবেশনের শেষ দিনেও তারা ওয়াকআউট করে। পুরো অধিবেশনজুড়ে বিরোধী দল চারবার ওয়াকআউট করেছে এবং এখন রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে।
তবে সরকার বলছে, যেসব অধ্যাদেশ পাস হয়নি সেগুলো আরও যাচাই-বাছাই করে পরে আইনে রূপ দেওয়া হবে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, দুদক ও মানবাধিকার কমিশনসহ ১৬টি অধ্যাদেশ আরও শক্তিশালী করতে পর্যালোচনায় রয়েছে। চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, কোনো অধ্যাদেশ বাতিল হয়নি, ভবিষ্যতে সেগুলো পাস করা হবে।
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সংসদ কার্যকর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ আইনে রূপ দিতে হয়, নইলে তা বাতিল হয়ে যায়। সেই অনুযায়ী শুক্রবার ছিল শেষ দিন, ফলে সরকারি ছুটির দিনেও রাত পর্যন্ত অধিবেশন চলে এবং সেদিনই ২৪টি বিল পাস হয়।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সাংবিধানিক, আইনি ও নির্বাহী, এই তিন ধরনের সংস্কার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। পরে সেগুলো যাচাইয়ের জন্য বিএনপির নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়, যেখানে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যও ছিলেন। কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাস, ১৫টি সংশোধন এবং ১৬টি পরে পর্যালোচনার সুপারিশ করে, পাশাপাশি ৪টি বাতিলের প্রস্তাব দেয়। তবে সরকার সেই সুপারিশ পুরোপুরি অনুসরণ করেনি।
বিশেষ করে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ অধ্যাদেশে সংশোধন এনে সরকার নিজ নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সংস্কৃতিমন্ত্রীকে পর্ষদের সভাপতি করা এবং সরকারকে সদস্য মনোনয়ন বাতিলের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টি যুক্ত করা হয়।
এছাড়া বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিরোধী দল আপত্তি জানালেও তা আমলে নেয়নি সরকার।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারানো ২০টি অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে গণভোট, মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, রাজস্বনীতি, আয়কর, কাস্টমস, তথ্য অধিকার, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক, ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের আইন।
অন্যদিকে সংশোধিত আকারে পাস হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, শ্রম আইন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ, পুলিশ কমিশন, মানব পাচার প্রতিরোধসহ বিভিন্ন আইন। এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংশোধন এনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া ৯৭টি অধ্যাদেশ হুবহু পাস হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন, সাইবার সুরক্ষা আইন, গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন।
সব মিলিয়ে অধ্যাদেশগুলো নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংস্কার/ইএমই
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হচ্ছে শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬। সেদিন বেলা ১১টা থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফরম বিক্রি শুরু হবে এবং তা চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব