আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার: স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও ঘোষণা করেছে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় নতুন বাস্তবতায় আইন ও বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে, .প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা বাতিল এবং সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য সমন্বিত আচরণবিধি প্রণয়ন।
এ ছাড়া অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার বর্তমান বিধান বাতিলের কথাও ভাবা হচ্ছে। নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ, বিলবোর্ডে প্রচারণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আচরণবিধির সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত আইন সংস্কার করা হবে।
গত ১১ মে এক কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ১৯৭২ সালের আরপিও এতটাই জটিল যে সাধারণ মানুষ ও নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য এটি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী আইনটি বারবার সংশোধন করা হলেও এখন এটিকে সহজ, স্পষ্ট ও বোধগম্য ভাষায় পুনর্লিখনের সময় এসেছে। নতুনভাবে সাজানো হলে আইনটি প্রয়োগ ও বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন ও আচরণবিধিতে সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, এ বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে আলোচনা করে একটি খসড়া প্রস্তুত করা হবে। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তা কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের জন্য একটি সমন্বিত আচরণবিধি থাকা উচিত এবং তিনি সেই প্রস্তাব দেবেন।
বর্তমান আইনে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামানতের পরিমাণ ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের জন্য এ পরিমাণ ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের জন্য ১০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে পৌরসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে মেয়র প্রার্থীদের জন্য ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত জামানতের বিধান রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের অফিস থাকায় তারা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন। তাই নির্বাচনের সময় এমপিরা যাতে উপজেলা পরিষদে না যান বা কম যান, সেটিও আচরণবিধিতে যুক্ত করার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্কার/ইএমই
দীর্ঘ কূটনৈতিক নীরবতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের প্রথম চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং
চীনের চার দিনের সরকারি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত বীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে। একই দিন বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের