আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার: দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড ময়দানে অনুষ্ঠিত হলো সম্মিলিত বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
সকাল ১০টার দিকে মিলিটারি পুলিশের সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহ প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সচিব ইসরাত চৌধুরী। এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্যারেড মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী, তখনও তাকে স্বাগত জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও তিন বাহিনীর প্রধানরা।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে খোলা জিপে প্রায় ১৫ মিনিট প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্যারেড অধিনায়ক মেজর জেনারেল এসএম আসাদুল হক।
প্যারেডে প্রথমে পতাকাবাহী তিনটি কন্টিনজেন্ট অংশ নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট, সাজোয়া রেজিমেন্ট, ইস্ট বেঙ্গল, বাংলাদেশ ইনফ্যান্টারি রেজিমেন্ট, আর্টিলারি, এয়ার ডিফেন্স, ইঞ্জিনিয়ারস, সিগনালস ও সার্ভিসেস কন্টিনজেন্ট মার্চপাস্ট করে সালাম জানায়।
এরপর জাতীয় পতাকাবাহী দল, প্যারাকমান্ডো, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর, কারা পুলিশ, সম্মিলিত নারী কন্টিনজেন্ট এবং আধুনিক ইনফ্যান্ট্রি ইউনিট অংশ নেয়। ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী বাহিনীর প্রদর্শনের পর মুক্তিযোদ্ধাদের কন্টিনজেন্ট খোলা গাড়িতে এগিয়ে যায়।
প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্যারাট্রুপারদের অংশগ্রহণ। প্রায় ১০ হাজার ফুট ওপর থেকে ২৬ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় ও বাহিনীর পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন। একই সময়ে আর্মি অ্যাভিয়েশন, বিজিবি, র্যাব ও নৌবাহিনীর বিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে উড্ডয়ন কৌশল প্রদর্শন করে।
প্যারেডে ভারী যুদ্ধাস্ত্র, ট্যাংক, কামানসহ বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জামও প্রদর্শন করা হয়। পরে বিমানবাহিনীর ‘অ্যারোবেটিক শো’ দর্শকদের মুগ্ধ করে। ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ প্রতিপাদ্যে যুদ্ধবিমান, প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টার বিভিন্ন কৌশল দেখায়। পাঁচটি এফ-৭ যুদ্ধবিমান রঙিন ধোঁয়া ছড়িয়ে আকাশ প্রদক্ষিণ করে। এরপর মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ‘ফ্লাইং স্যালুট’ প্রদান করে এবং একাধিক কৌশলী প্রদর্শনের পর ‘ভিক্টোরি রোল’ দিয়ে আকাশে মিলিয়ে যায়।
কুচকাওয়াজ শেষ হয় সকাল ১১টা ৫৯ মিনিটে। পরে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ড ত্যাগ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তিনিও কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম ২৬ মার্চের আয়োজনে এই কুচকাওয়াজ যুক্ত হলো। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ আয়োজন বন্ধ ছিল, তবে বিজয় দিবসে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবারের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রমজানের শুরু থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয় এবং চূড়ান্ত মহড়ার মাধ্যমে আয়োজন সম্পন্ন করা হয়।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে