আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
এক.
বাইরে থেকে কেউ দরজা নক করছে।
ভেতর থেকে: কে?
বাইরে
থেকে: আমি।
ভেতর থেকে: আমি কে?
বাইরে থেকে: আরে,
আপনি কে
আমি কী করে বলব?
দুই.
চাকরির ভাইভায় এক তরুণকে প্রশ্ন করা হল-
প্রশ্নকর্তা: আপনাকে আমি ১০টি সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল
একটা কঠিন প্রশ্ন করব। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশনটা বেছে নেবেন।
তরুণ: কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।
প্রশ্নকর্তা : ভালো,
শুভ
কামনা আপনার জন্য। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে-দিন
না রাত?
তরুণ: দিন প্রথমে আসে,
স্যার!
প্রশ্নকর্তা : কীভাবে?
তরুণ: দু:খিত স্যার,
আপনি
কথা দিয়েছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন
করবেন না আমাকে!
তিন.
শিক্ষক: তুমি হোমওয়ার্ক করে আনোনি কেন?
জসিম: স্যার, লোডশেডিং ছিল। তাই
আলো ছিলো না।
স্যার: মোমবাতি জ্বালালেই হতো।
জসিম: স্যার, লাইটার ছিলো না...
স্যার: লাইটার ছিলোনা কেন ?
জসিম: স্যার, বাবা যে রুমে নামাজ
পড়ছিলো ওখানে ছিলো।
স্যার: তাহলে ওখান থেকে আনলে না কেন?
জসিম: স্যার, আমার ওজু ছিলোনা.
স্যার: ওজু ছিলোনা কেন ?
জসিম: পানি ছিলোনা স্যার.
স্যার: কেন ছিলো না ?
জসিম: মোটর কাজ করছিলো না!
স্যার: স্টুপিড! মোটরে কি হয়েছিলো?
জসিম: স্যার, শুরুতেই তো আপনাকে
বললাম, কারেন্ট ছিলো না।
চার.
গভীর রাত। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, ‘এই যে ভাই, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দেবেন?
চিৎকার
শুনে ঘুম ভেঙে গেল কবিরের। কবির তাঁর বন্ধু রফিক কে ধাক্কা দিয়ে বলল, ‘এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে! বলল, ‘আহ্! চুপ কর তো! লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে। কবির বলল, ‘মনে আছে সেই রাতের কথা? সেদিন তোর কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।’ রফিক বলল, ‘মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড
বৃষ্টি হচ্ছিল। তোর খুব শরীর খারাপ করেছিল। গাড়িতে করে তোকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম।
হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন আমিও
চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন?’ কবির বলল, ‘মনে আছে তাহলে। সেদিন যদি তোর
চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বল তো? আজ অন্যের বিপদে তুই যাবি না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখ না!’ অগত্যা উঠতে হলো রফিককে। ভিজে চুপচুপা হয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে
এগিয়ে চলল সে শব্দের উৎস লক্ষ্য করে বলল,
‘কোথায়? ভাই আপনি? শুনতে পেল, ‘এই তো, এদিকে। বাগানের দিকে
আসুন।’রফিক এগোলো। আবারও শুনতে পেল, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ ডান দিকে এস। নিম গাছটার পেছনে’ রফিক আরও এগোল। ‘আহ্! ধন্যবাদ! আপনার
ভাই দয়ার শরীর। কতক্ষণ ধরে দোলনায় বসে আছি,
ধাক্কা
দেওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না!’ বলল মাতাল!
পাঁচ.
শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন-
শিক্ষক: আচ্ছা বলতে পারো দুধের সঙ্গে বিড়ালের কোনখানে মিল
আছে?
ছাত্র: স্যার, এটা তো খুব সহজ
প্রশ্ন।
শিক্ষক: তাহলে বলো।
ছাত্র: স্যার দু’টো থেকেই “ছানা” পাওয়া যায়।
ছয়.
বাবা আর ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে-
বাবা: বুঝলে বাবা,
এক
জায়গায় বারবার যেতে নাই। আদর থাকে না।
ছেলে: ঠিকই বলেছ বাবা,
সে
জন্যই তো প্রতিদিন স্কুলে যেতে চাই না। অথচ মা আমাকে পিটিয়ে স্কুলে পাঠানহ সংগৃহীত।