আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য সংগ্রহের সময় ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মোবাইল ফোননির্ভর এই সময়ে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা আনার যুক্তি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বরং এতে ভোটের অনিয়ম আড়াল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে এবং ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ বাড়বে।
ডিআরইউ নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার একটি অপরিহার্য শর্ত। নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিধি অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিআরইউ’র মতে, এই নির্দেশনা বাস্তবে নির্বাচনকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্যত অচল করে দেওয়ার শামিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবিধানস্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে সরাসরি ক্ষুণ্ন করে। ডিআরইউ মনে করে, মোবাইল ফোন ছাড়া আধুনিক সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। তথ্য সংগ্রহ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও ধারণ, অনিয়ম নথিভুক্ত করা এবং জরুরি যোগাযোগ—সবই মোবাইল ফোননির্ভর।
ডিআরইউ আরও জানায়, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে বাধা দেওয়া মানে নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা এবং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জনসমক্ষে অস্বচ্ছ করে তোলা। সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, নির্বাচন কমিশনের কিছু নির্দেশনা ও তার মাঠপর্যায়ের প্রয়োগ সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পরিকল্পিত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করে কখনোই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় ডিআরইউ নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়ে বলেছে, অবিলম্বে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই বিধিনিষেধকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণে বাধ্য হবে সংগঠনটি। ডিআরইউ স্পষ্ট করে জানায়, স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে কোনো আপস নেই এবং সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষায় সংগঠন সর্বাত্মকভাবে সোচ্চার থাকবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের ৪৮টি ওয়ার্ডে সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সমন্বয় কমিটি অনুমোদন করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং ভারপ্রাপ্ত
শিশু রামিসার ওপর পাশবিক নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি জনসম্মুখে কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। একই সঙ্গে দেশব্যাপী হত্যা, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ
রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ঝিনাইদহে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত
বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্ত করাকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনগণের আস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করেছে।