অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্য সমস্যা এবং মোবাইলের যথেচ্ছা ব্যবহার

আবু আবীর

বর্তমান সময়ে মোবাইল এর সাথে সম্পর্ক নেই এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। এই মোবাইল এর প্রকৃত ব্যবহার থেকে মাত্রাতিরিক্ত অপব্যবহারের কারণে জনস্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট ঝুঁকি লক্ষ করা যাচ্ছে। মোবাইলসহ টেলিভিশন, ল্যাপটপ, ট্যাব ইত্যাদি ডিভাইসগুলো ব্যবহার করে আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোররা বেশি পরিমাণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ছোট্ট শিশুদেরকে মোবাইল খুলে দিয়ে খেলতে দিয়ে খেলার ছলে খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস অনেক ঘরেই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু আমাদের সেই মায়েরা জানেনা যে, তারা তাদের সন্তানের কতটা ক্ষতি করছে! এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে আরো সচেতন না হলে আমাদের এই কোমলমতি শিশু-কিশোরদের সমূহ ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য পরবর্তীতে আফসোস করতে হবে। মোবাইল সেটের সদ্ব্যবহার এর মাধ্যমে আমরা অপর প্রান্তের সাথে যোগাযোগ করতে পারি; কিন্তু অযথা সময় কাটানোর জন্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অযথা ঘুরে বেড়ানোর জন্য অথবা আসক্তির জন্য কোমলমতি শিশু-কিশোররা যখন সীমাতিরিক্ত সময়ের জন্য মোবাইল সেটের সামনে থাকে, অথবা টেলিভিশনের সেটের সামনে থাকে, ল্যাপটপের সামনে থাকে কিংবা ট্যাবলয়েডের সামনে থাকে তখন তাকে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যহানির এবং শারীরিক বিভিন্ন রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অনেক বাবা-মা ইচ্ছে করেই শিশু-কিশোরদের হাতে মোবাইল দিয়ে দিচ্ছেন। তারা নিজেরাই শিশু-কিশোরদেরকে স্বাস্থ্যহানির মতো ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। জেনে বুঝেই হোক, অথবা না জেনে না বুঝেই হোক, তারা শিশুদের ক্ষতি করে চলেছেন। যখন শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত হয়, তার চোখের দৃষ্টি কমে আসে, আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পরিলক্ষিত হয়, তখন অভিভাবকরা ডাক্তারের কাছে ছুটাছুটি শুরু করে দেন। একটু সচেতন থাকলে এই ছুটাছুটির পরিমাণ অনেক কমে যেত। বেশিরভাগ শিশু-কিশোর মোবাইলের সামনে বসলে অথবা ল্যাপটপের সামনে বসলে বিভিন্ন রকমের গেমে আসক্ত  হয়ে  পড়ে। বিভিন্ন রকমের কার্টুন দেখা অথবা গেইম খেলে সময় কাটিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে বিভিন্ন সমস্যায়  পড়ে।

শিশু-কিশোরদের এই জাতীয় সমস্যাগুলোর প্রথম বিষয়টি হচ্ছে লেখাপড়ায় অমনোযোগী হওয়া। যেই শিশু-কিশোররা খেলার ছলে শিখার জন্য সার্বক্ষণিক চেষ্টা করত, সেই শিশু-কিশোররা আউটডোরের খেলা অথবা দৌড়ঝাঁপ এর পরিবর্তে বিভিন্ন ডিভাইস এর স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে তার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিকের ক্ষতি করে চলেছে। যেসব শিশু-কিশোর এখনই এন্ড্রয়েড সেটে অভ্যস্ত  হয়ে পড়ছে অথবা টেলিভিশনের সামনে বেশিক্ষণ সময় থাকছে, কিংবা ল্যাপটপে গেম খেলে সময় পার করছে, তারা অনেক ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।

শারীরিকভাবে মাথাব্যথা এই জাতীয় অসুস্থতার বড় একটি প্রকাশ। অনেক শিশু মাথাব্যথার কথা বাবা মাকে বলে। কখনো কখনো মাথার ডানদিক আবার কখনো বাম দিক অথবা দুদিকেই ব্যথার কথা বলে। মাথা ব্যাথার সবচেয়ে বড় কারণের মধ্যে তার চোখের সমস্যাগুলো এক একটি বিষয় হিসেবে তার সামনে প্রতীয়মান হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে বেশিক্ষণ এন্ড্রয়েড সেট, টেলিভিশন কিংবা ল্যাপটপ ইত্যাদি ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে তাদের দৃষ্টিশক্তি বিশেষ করে দূরদৃষ্টি শক্তি কমে যায়। বিষয়টি চলমান থাকলে অল্প বয়সেই তাকে চোখের বিভিন্ন জটিলতায় পড়তে হয়। দূরদৃষ্টি কমে যাওয়া, চোখে কম দেখা, চোখের ভেতরে শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতার দিকে অনেক সময় চলে যেতে পারে। একেকজন শিশু কিশোর যখন এইভাবে মোবাইলে আসক্ত  হয়ে  পড়ে তখন তার ওজন বৃদ্ধি পায়, স্থূলতা বেড়ে যায়।

শারীরিক এইসব সমস্যার পাশাপাশি তার ভেতর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। শোনার দক্ষতা কমে যায়। স্বাভাবিকভাবে একজন শিশু-কিশোর অন্যদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যে অভ্যাস বা দক্ষতা অর্জন করতে হয়, সেটা থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে কথা কম বলা, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে বিরক্ত হওয়া, হাসিখুশি না থেকে গোমরা মুখে বসে থাকা, ইত্যাদি সমস্যায় শিশু-কিশোররা পতিত হয়। সর্বোপরি মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলে এদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক যেই বিকাশ হওয়ার কথা ছিল, তাও বাধাগ্রস্ত হয়। এই জাতীয় শিশু-কিশোররা অন্য মানুষের সাথে মিশতে পারে না। বেশিরভাগ সময় একা থাকতে পছন্দ করে, ইত্যাদি বিষয়ের কারণে ভাষা শিখতেও তাদের অনেক দেরি হয়।

জাতীয় শিশু-কিশোরদের মন কখনোই প্রফুল্ল থাকে না। ফলে সব সময় একটি বিষন্ন ভাব, মানসিক কষ্ট এবং উদ্বেগ তার মধ্যে কাজ করে। স্ক্রিনে যাদেরকে দেখছে, তাদের কথা চিন্তা করে, সে নিজেকে খুবই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা শুরু করে। তার নিজের আত্মমর্যাদা নিজের কাছেই কমে যায়। নিজেকে তুচ্ছ ভাবার কারণে কখনোই চ্যালেঞ্জিং কোন কাজ করতে তার সাহস হয় না। এমনকি কঠিন কাজ করতেও সে পারে না। রুটিন মত কোন কিছু করতে দিলে সে বিগড়ে যায়। অনেক সময় মা-বাবা বা বয়সে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে না। শুধু তাই নয়, এই জাতীয় শিশু-কিশোররা অন্য একটি শিশু-কিশোরকে কখনোই সামাজিকভাবে সমভাবে দেখে না। তারা অন্য শিশুদেরকে সহ্য করতে চায়না। তার অধিনস্ত অথবা বয়সে ছোট যারা তাদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য  করে। তাদের সাথে সবসময় খারাপ আচরণ করে। এভাবে পাশাপাশি বসবাস করা ভাইবোনদের মধ্যে অথবা বন্ধুদের মধ্যে এমন আচরণের কারণে তারা মানসিক স্বাস্থ্য হানি ঘটিয়ে মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলে প্রকৃত যোদ্ধা হিসেবে সমাজের  দায়িত্ব পালন এর প্রস্তুতি নিতে পারেনা।

প্রথমদিকে বাবা-মা, এন্ড্রয়েড সেট নিয়ে শিশু যখন আনন্দ পায় তখন তারা গর্ববোধ করে। আমাদের ছোট্ট মনিও মোবাইল চালাতে জানে! ইত্যাদি অভিব্যক্তির মাধ্যমে তাদের সাময়িক সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। এই শিশু-কিশোরদেরকে ধীরে ধীরে প্রশ্রয় দিতে দিতে এমন স্থানে নিয়ে যায় যে, এমন একটি সময় আসে যখন তাকে এই বিষয় থেকে বারণ করা হয়, তখন এই ছোট্ট শিশুটি বিগড়ে যায়। তার চাহিদা মত মোবাইল, ল্যাপটপ, টেলিভিশন ইত্যাদি না পেলে তখন সে খারাপ আচরণ শুরু করে। ঘরের কোন কিছু নষ্ট করা, কিছু ভেঙে-চুরে ফেলা অথবা সময়ে-অসময়ে আবদার করা, ইত্যাদির মাধ্যমে অন্য চরিত্রের একটি শিশু হিসেবে সে তৈরি হয়। আর শিশুর অভিভাবক তখন বাধ্য হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন, চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করেন কিন্তু ততক্ষণে সন্তানের যা ক্ষতি হবার তা হয়ে গেছে।

এন্ড্রয়েড সেট এর মাধ্যমে যে রেডিয়েশন শিশু-কিশোরদের সরাসরি মগজে আঘাত হানে সেটির পরিমাণ খুবই ভয়ানক। যার ফলে মস্তিষ্কের গঠনে বাধা, বিভিন্ন সেল নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি ঘটনাও ঘটে। অনেক সময় এই প্রশ্রয়ের কারণে শিশু-কিশোররা গোল্লায় যায়। পাশাপাশি অটিজম বা প্রতিবন্ধিতার দিকে তারা ধাবিত হয়। এমন একটি সময় এর পরে আসে, যখন তারা সমাজের কর্ণধার না  হয়ে সমাজের বোঝা হয়ে থাকার মতো অবস্থা তৈরি হয়।  থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের অভিভাবকদেরকে যে কাজগুলো করা উচিত, তা নিয়ে দু'একটি কথা বলতে চাই। আপনার শিশু-কিশোরদেরকে অ্যান্ড্রয়েড সেটের স্পর্শ বা দৃষ্টি দেয়া থেকে দূরে রাখুন। সামাজিক কাজে সময় বাড়িয়ে দিন। আপনি নিজে মোবাইলে আসক্ত হয়ে বা টেলিভিশন খুলে ছবি দেখবেন অথচ আপনার ছোট্ট শিশু-কিশোররা দেখবে না এটা ভাবা ঠিক নয়। এইজন্য ঘরের অভ্যন্তরে সামাজিক বন্ধন, বন্ধুসুলভার আচার-আচরণ ইত্যাদির পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। আপনার সন্তানকে লেখাপড়া থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে সময় দিন। অবসরে গল্প করুন। বই পড়ার অভ্যাস করুন। নিজে পড় এবং শিশু-কিশোরদেরকেও পড়তে শিখান। কিছু কিছু খেলাধুলা ঘরের অভ্যন্তরেও করা যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনি তার সঙ্গী হোন। আপনার সঙ্গ পেলে সে এই জাতীয় মোবাইল ছেড়ে আপনার সাথে সময় কাটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। মনে রাখবেন আপনার মোবাইল, যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য। তাই বলে আনলিমিটেড সময় এই মোবাইল নিয়ে আপনি  পড়ে থাকবেন এটা চিন্তা করা যায় না। দিনের সময়গুলোকে ভাগ করে নিন। কিছু সময় কারো সাথে যোগাযোগের জন্য, কিছু সময় জাতীয় ডিভাইস ব্যবহারের জন্য, কিছু সময় শিশুদেরকে সঙ্গ দেয়ার জন্য, এভাবে তৈরী করে নিন। তাহলেই আপনার শিশুরা এই জাতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটবে। শারীরিকভাবে চোখ এর ক্ষতিগ্রস্ত  হওয়া থেকে বেঁচে যাবে। অল্প বয়সেই দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে মোটা লেন্সের চশমা পরতে হবে না। তাছাড়া লেখাপড়ায় আসক্তিও বেড়ে যাবে। বিষয়গুলোতে এখন থেকেই সতর্ক না হলে পরবর্তীতে অভিভাবক অভিভাবিকা বা মাতা পিতাসহ সকলকেই এই দুর্ভোগের জন্য ভুগতে হবে। এই জাতীয় ডিভাইসগুলো আমাদের জন্য এক একটি নিয়ামত হিসেবে এসেছে এটি ভেবে এর ব্যবহার করা দরকার। কোন কিছুই অসতর্কভাবে সীমাহীনভাবে যথেচ্ছা ব্যবহার এর মাধ্যমে নিজেদেরকে, নিজেদের পরিবার-পরিজনকে, নিজেদের শিশু-কিশোরদেরকে ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করুন।

সম্পর্কিত খবর

এসএসসি প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজারের বেশি : বহিষ্কার ৬ পরীক্ষার্থী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই দিনে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৬ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানায়। কমিটির তথ্যমতে, এসএসসি, দাখিল এবং ভোকেশনাল

মঙ্গলবার শুরু এসএসসি পরীক্ষা : ১৪টি জরুরি নির্দেশনা জারি

আগামী মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে এবং নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী বাংলা বিষয়ের মাধ্যমে এবারের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। পরীক্ষার রুটিন প্রকাশের সময় শিক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ

১৯তম নিবন্ধনে ৭৭ হাজার ৭৯৯ শিক্ষক পদ শূন্য : তালিকা প্রকাশ

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এতে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তথ্য উঠে এসেছে।  রোববার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ এনটিআরসিএ এ তালিকা

শিক্ষাখাতে বড় উদ্যোগে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগ : খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও অন্যান্য শূন্য পদে মোট ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন।  বর্তমান সরকারের