আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ জুন ২০২৬ রবিবার: রাশিয়ায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একাধিক মুসলিম আলেম ও কমিউনিটি প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সরকার এসব পদক্ষেপকে বিভিন্ন আইনি অভিযোগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও, সমালোচক ও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটি দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চলতি বছরের মে মাসে রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী অন্তত আটজন মুসলিম ধর্মীয় নেতা ও কমিউনিটি প্রতিনিধিকে আটক করে। তাদের মধ্যে কারেলিয়ার সাবেক মুফতি উইসাম বার্দভিলকে ‘পুলিশের নির্দেশ অমান্য’ করার অভিযোগে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সময়ে মর্দোভিয়া প্রজাতন্ত্রের মুফতি রয়াল আসেনভকে ঘুষ দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সেন্ট পিটার্সবার্গ, সারাতভ, তাতারস্তান ও মারমানস্ক অঞ্চলেও কয়েকজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে আটক করা হয়।
সরকারি ও রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যমের দাবি, এসব গ্রেপ্তারের কারণ ঘুষ, প্রশাসনিক অপরাধ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ। রাশিয়া ২০০৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
অন্যদিকে, উগ্র জাতীয়তাবাদী ও ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো এসব গ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের দাবি, রাশিয়ার স্পিরিচুয়াল বোর্ড অব মুসলিমস (ডিইউএম)-এর বিরুদ্ধে অনেক আগেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কিছু কট্টরপন্থি ব্লগার সংগঠনটিকে ‘বিদেশি প্রভাবের কেন্দ্র’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডিইউএমের শীর্ষ নেতা দামির মুখেতদিনভের কার্যালয়ে রাখা ১২২৩ সালের কালকা যুদ্ধের একটি চিত্রকর্ম। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি রাশিয়ার ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্কিত বার্তা দিচ্ছে। পরে মুখেতদিনভ ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে ডিইউএমের প্রধান মুফতি রাভিল গাইনুতদিন আবাসিক ভবনে ধর্মীয় সমাবেশ ও জামাতে নামাজ সীমিত করার প্রস্তাবিত বিলের বিরোধিতা করেছেন। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে পাঠানো এক খোলা চিঠিতে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী এবং সমাজে বিভাজন ও উগ্রতা বাড়াতে পারে।
গাইনুতদিন আরও অভিযোগ করেন, দেশে মুসলমানদের জন্য পর্যাপ্ত মসজিদ ও ধর্মীয় কেন্দ্র নেই। নতুন উপাসনালয় নির্মাণেও প্রশাসনের অনীহা রয়েছে। তার মতে, নতুন আইন কার্যকর হলে মুসলিম সম্প্রদায় অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
যদিও ডিইউএম আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ‘মুসলিমবিরোধী অভিযান’-এর অভিযোগ অস্বীকার করেছে, সংগঠনটি তাদের বিরুদ্ধে চরমপন্থা ও বিদেশি প্রভাবের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। রাভিল গাইনুতদিনের মতে, এ ধরনের প্রচারণা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে এবং রাশিয়ার প্রতিপক্ষদের স্বার্থকে শক্তিশালী করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ায় জাতীয়তাবাদী ও অভিবাসীবিরোধী মনোভাব আরও জোরালো হয়েছে, যার প্রভাব মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপরও পড়ছে। দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে পরিবর্তিত হচ্ছে বলেও তারা মনে করছেন।
বর্তমানে রাশিয়ায় দুই কোটির বেশি মুসলমান বসবাস করেন, যা ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যা। তাই সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার ও নতুন আইন নিয়ে বিতর্ক দেশটির ধর্মীয় স্বাধীনতার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। (বিবিসি বাংলা)
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও