আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ জুন ২০২৬ শনিবার: ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বাড়মের ও জয়সলমীর জেলায় সরকারি উচ্ছেদ অভিযানের নামে মসজিদ ও মুসলিম ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। এই আন্দোলনের বিশেষ দিক হলো, স্থানীয় মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও একসঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করছেন।
বাড়মের জেলার বাড়বীর গ্রামসহ জয়সলমীরের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যৌথভাবে ‘সর্ব ধর্ম শান্তি সভা’ আয়োজন করে প্রতিবাদ মিছিল করেন। পরে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে তাঁরা একতরফা উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ এবং দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার দাবি জানান।
আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী পারাদিয়া গ্রামের হিন্দু সরপঞ্চ সুরতারাম মেঘওয়াল অভিযোগ করেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই উচ্ছেদ চালানো হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, যদি নিয়ম মেনে মসজিদ পরীক্ষা ও ভাঙা হয়, তবে একইভাবে মন্দিরও পরীক্ষা করা উচিত। শুধু মুসলিমদের ধর্মীয় স্থাপনাকেই কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে? তিনি আরও বলেন, বাইরে থেকে বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা হলেও স্থানীয় মানুষ ঐক্যবদ্ধ আছেন এবং রাজনৈতিক স্বার্থে সেই সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেবেন না।
প্রতিবাদে অংশ নেওয়া উদরাম মেঘওয়াল ও গোবিন্দ ভার্গব বলেন, এটি কোনো একটি ধর্মের নয়, বরং গ্রামের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতি রক্ষার আন্দোলন। তাঁদের দাবি, ভেঙে ফেলা মাজার ও মসজিদ মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দুদের কাছেও শ্রদ্ধা ও আবেগের স্থান ছিল। দীর্ঘদিন ধরে দুই সম্প্রদায় একে অপরের উৎসব ও দুর্দিনে পাশে থেকেছে, সেই ঐতিহ্য অটুট রাখতে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
নাগরিক অধিকার সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রটেকশন অব সিভিল রাইটস’ (এপিসিআর) দাবি করেছে, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন রাজস্থানের জয়সলমীর, বিকানের, শ্রীগঙ্গানগর ও বাড়মের—এই চার জেলায় প্রায় ৩৫০টি মসজিদে সরকারি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, ‘অপারেশন সুইপ’-এর আওতায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদের অংশ হিসেবে অভিযান চলছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, আইন উপেক্ষা করে বেছে বেছে মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকেই লক্ষ্য করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উগ্রপন্থীদের একাংশ এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া হিন্দুদের সমালোচনা করলেও, অনেক নেটিজেন তাঁদের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে এক্সে মন্তব্য করেন, মানুষ সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে ক্লান্ত। মানবাধিকারকর্মী তিস্তা সেতলভাদও প্রশ্ন তুলেছেন, সম্প্রীতির এমন দৃষ্টান্ত জাতীয় গণমাধ্যমে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না কেন।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার এই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ না করা পর্যন্ত তাঁদের আইনি লড়াই ও শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও