আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ মার্চ ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সংঘাতের প্রভাব পড়েছে ভারতীয় শেয়ারবাজারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে নতুন দফার উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে বিনিয়োগকারীদের সম্পদমূল্য থেকে প্রায় ৩১ লাখ কোটি রুপি কমে গেছে। অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়া, বিদেশি তহবিল প্রত্যাহার এবং ভারতের মতো বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশের জন্য সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ধাক্কার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে প্রধান শেয়ার সূচকগুলো ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে।
শুধু সোমবারই বাজার মূলধন থেকে প্রায় ১২.৭৮ ট্রিলিয়ন বা প্রায় ১৩ লাখ কোটি রুপি হারিয়ে গেছে। এ সময় বিএসই সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ৭৬,৬১৯.২৫ পয়েন্টে, যা আগের সেশনের ৭৮,৯১৮.৯০ পয়েন্ট থেকে ২,২৯৯.৬৫ পয়েন্ট বা ২.৯১ শতাংশ কম। একইভাবে এনএসই নিফটি ৫০ সূচক ২৪,৪৫০.৪৫ পয়েন্ট থেকে ৭১৪.২০ পয়েন্ট কমে ২৩,৭৩৬.২৫ পয়েন্টে নেমে আসে।
গত এক বছরে দলাল স্ট্রিটে এটি বড় অস্থিরতার একটি ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা শুরুর পর তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত বাজারমূলধন দ্রুত কমে গেছে। এদিকে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম এক সপ্তাহে ২৫ শতাংশের বেশি বেড়ে সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ১১৪ ডলার ছাড়িয়েছে। সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম বাড়ছে।
ভারতের জন্য তেলের দাম বৃদ্ধি বড় ঝুঁকি, কারণ দেশটি তার মোট তেলচাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করে। এতে মূল্যস্ফীতি, চলতি হিসাবের ঘাটতি এবং সরকারি আর্থিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারে ঝুঁকি এড়াতে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরাও শেয়ার বিক্রি বাড়িয়েছেন। গত চারটি লেনদেন সেশনে তারা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ২১ হাজার কোটি রুপি তুলে নিয়েছেন। ফলে ফেব্রুয়ারিতে আসা ২২,৬১৫ কোটি রুপির প্রবাহের বড় অংশই উল্টে গেছে, যা ছিল ১৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বড় কোম্পানির শেয়ারেও পতন দেখা গেছে। এইচডিএফসি ব্যাংকের শেয়ার ৩ শতাংশের বেশি, আইসিআইসিআই ব্যাংক প্রায় ৪.৫ শতাংশ এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার শেয়ার ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। লারসেন অ্যান্ড টুবরোর শেয়ারও প্রায় ৫ শতাংশ নেমেছে। তেল বিপণনকারী কোম্পানি বিপিসিএল, এইচপিসিএল ও ইন্ডিয়ান অয়েলের শেয়ার ৮ শতাংশের বেশি পড়ে গেছে। তেলের দাম বাড়লে জ্বালানির বিক্রয়মূল্য সমান হারে না বাড়ালে তাদের মুনাফায় চাপ পড়ে। বিমান পরিবহন খাতেও প্রভাব পড়েছে। ইন্টারগ্লোব অ্যাভিয়েশনের শেয়ার ৭ শতাংশের বেশি কমেছে, কারণ জেট ফুয়েলের দাম বাড়লে লাভ কমার আশঙ্কা রয়েছে।
বাজারের বিস্তৃত অংশেও বড় ক্ষতি হয়েছে। বিএসই মিডক্যাপ সূচক প্রায় ৩ শতাংশ এবং স্মলক্যাপ সূচক ৩ শতাংশের বেশি কমেছে, যা বাজারজুড়ে ঝুঁকি এড়িয়ে চলার প্রবণতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। তবে এর মাঝেও প্রতিরক্ষা খাতের শেয়ার প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে সামরিক ব্যয়ও বাড়তে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং তেলের দামের গতিপ্রকৃতির ওপরই আগামী দিনে বাজারের দিক নির্ভর করবে। যদি দীর্ঘ সময় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকে, তাহলে তা ভারতের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি, রুপির বিনিময় হার ও সরকারি অর্থব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। (এনডিটিভি)
সংস্কার/ইএমই
চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও গম সংগ্রহ কার্যক্রম আগামী ৩ মে থেকে শুরু করবে সরকার। একই দিনে গম সংগ্রহ শুরু হবে এবং চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। রাজধানীর সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থা ও নিষেধাজনিত কারণে সৃষ্ট সাময়িক বিঘ্ন কাটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সব রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, বর্তমানে দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা
দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার ইতোমধ্যে ২৩টি দেশে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও ২১টি দেশে এমএলএআর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে
দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮,০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন