আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৫ মে ২০২৬ শুক্রবার: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বেইজিং সফর শেষ হয়েছে। সফরের শেষ দিনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও বাণিজ্য, তাইওয়ান ও ইরান ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতির ঘোষণা আসেনি।
বেইজিংয়ের ক্ষমতাকেন্দ্র ঝংনানহাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতা দীর্ঘ সময় আলোচনা করেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প আলোচনাকে “চমৎকার” বলে উল্লেখ করেন এবং শি জিনপিংকে “প্রকৃত বন্ধু” হিসেবে অভিহিত করেন। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে উভয় দেশই নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল।
বৈঠকের শুরুতে শি জিনপিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে অংশীদারত্বের পথে এগোনো। তার মতে, বিশ্বের স্থিতিশীলতা অনেকটাই এই দুই পরাশক্তির সম্পর্কের ওপর নির্ভর করছে।
সফরে বাণিজ্য সম্পর্ক, প্রযুক্তি খাতের বিধিনিষেধ, বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি, চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং তাইওয়ান প্রশ্নে দুই দেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
ইরান ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট ছিল। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নিরাপত্তা ও সামরিক উপস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরলেও চীন কূটনৈতিক সমাধান ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়েছে।
যদিও সফরে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি, তবুও কূটনৈতিক মহলে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রক্ষা উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
কিছু চীনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কৃষি ও বিমান চলাচল খাতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, সফরটি দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বড় কোনো মোড় ঘুরিয়ে দিতে না পারলেও সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্য যুদ্ধ, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা ও ভূরাজনৈতিক বিরোধের কারণে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের সম্পর্ক জটিল হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্পের বেইজিং ত্যাগের মধ্য দিয়ে সফরের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন দুই দেশের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের দিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধান বিরোধগুলো সমাধানে ভবিষ্যতে আরও বহু দফা আলোচনার প্রয়োজন হবে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও