আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫: আজ ১৮ ডিসেম্বর বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আরবি ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি দেয়। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের স্মরণে ২০১২ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটি শুধু আরবি ভাষার মর্যাদা স্বীকৃতির বিষয় নয়, বরং ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা, সাংস্কৃতিক সংলাপ জোরদার এবং বৈশ্বিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির বার্তাও বহন করে।
বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষের মাতৃভাষা আরবি। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এটি প্রধান ভাষা হলেও এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও এর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রভাব রয়েছে। ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ আল-কুরআনের ভাষা হওয়ায় মুসলিম বিশ্বে আরবি ভাষার গুরুত্ব বিশেষভাবে স্বীকৃত। ইতিহাসে দেখা যায়, গণিত, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিদ্যা ও দর্শনে আরবি ভাষায় রচিত গ্রন্থগুলো বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ইউরোপীয় রেনেসাঁর সময়ের বহু জ্ঞানচর্চার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল আরবি পাণ্ডুলিপির অনুবাদের মাধ্যমে।
এ বছর ২০২৫ সালের এ দিনটির থিম নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘আরবির জন্য উদ্ভাবনী পথ : আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাষাগত ভবিষ্যতের নীতি ও প্রয়ো’। এই থিম অনুযায়ী ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ বিভিন্ন সেমিনার, প্যানেল আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এসব কর্মসূচির লক্ষ্য হলো শিক্ষা ও পাঠ্যক্রমে আরবি ভাষার সমন্বয়, ডিজিটাল কনটেন্ট ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করা।
আরবিভাষী দেশগুলোতে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সেমিনার, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক প্যানেল আলোচনা, কবিতা ও নাট্য অনুষ্ঠান, অনলাইন ওয়েবিনার, ভাষা-প্রযুক্তি হ্যাকাথন, শিশুদের লেখালেখি প্রতিযোগিতা এবং ডিজিটাল কনটেন্ট সম্প্রসারণ। পাশাপাশি আরব লীগ ও ALECSO-এর মতো আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আরবি ভাষার সংরক্ষণ ও মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে।
বিশ্বায়নের যুগে সুদ্ধ আরবির ব্যবহার বনাম স্থানীয় উপভাষার বিস্তার, প্রযুক্তিগত সমর্থনের সীমাবদ্ধতা এবং কনটেন্ট তৈরিতে অর্থনৈতিক বিনিয়োগের অভাব আরবি ভাষার সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম এবং স্টার্টআপ উদ্যোগ ভাষাটির প্রসার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যম ও অনুবাদ কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরবি ভাষার বিস্তার ও বহুভাষিক সংলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আরবি ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের একটি বিশাল ভাণ্ডার। তিনি ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা এবং জাতিসংঘের সব দাপ্তরিক ভাষার সমান ব্যবহার নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। মহাসচিবের মতে, ডিজিটাল যুগে আরবি ভাষার প্রসার ও সুরক্ষা আন্তর্জাতিক সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস কেবল একটি ভাষাকে উদযাপনের দিন নয়; এটি ভাষার মর্যাদা, সাংস্কৃতিক সংলাপ এবং বৈশ্বিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। নতুন প্রজন্মের কাছে আরবি ভাষার ঐতিহ্য, ব্যবহার ও শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।
সংস্কার/ইএমই
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর জীবন ও আদর্শ জানার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী জাতীয় সীরাত প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। শিক্ষার্থীদের সীরাতের আলোকে জীবন গড়ার উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । প্রতিযোগিতা জেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে বিভাগীয় হয়ে জাতীয় পর্যায়ে
টানা ৪০ দিন মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় জয়পুরহাটে ৩৭ জন শিশু-কিশোর ও তরুণকে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে। স্কুলপড়ুয়া শিশু-কিশোর ও তরুণদের স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার, মাদকাসক্তি ও বিভিন্ন বিপথগামিতা
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান এবং অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন। এদিন সকালে পদক বিতরণ এবং বিকেলে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে
চট্টগ্রাম নগরীতে একদিনেই প্রায় ২৫ হাজার বই বিনিময় হয়েছে। স্টোরিটেলিং প্ল্যাটফর্ম ফেইল্ড ক্যামেরা স্টোরিজ-এর উদ্যোগে শুক্রবার (দিনব্যাপী) নগরীর জামালখান মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় সপ্তমবারের মতো বই বিনিময় উৎসব। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে নগরীতে জেঁকে বসা শীতের কুয়াশার মধ্যেই জামালখান মোড়ে ভিড় করতে শুরু করেন তরুণ-তরুণীরা। সবার