আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৯ মে ২০২৬ শুক্রবার: কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ে সংলগ্ন শতাধিক বছরের পুরনো গৌরীপুর জামে মসজিদ স্থানান্তর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তার স্বার্থে ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদ সরানোর উদ্যোগ প্রশাসনিক পর্যায়ে শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের দপ্তরে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং মসজিদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে একটি বিশেষ দল মসজিদ এলাকা পরিদর্শন করে। বিষয়টি বিমানবন্দর নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকেও গুরুত্ব পায়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, রানওয়ের খুব কাছাকাছি ধর্মীয় স্থাপনা থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বিমান ওঠানামার সময় ভিড় ও চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল।
সূত্র জানায়, প্রায় তিন দশক ধরে বিভিন্ন সময়ে মসজিদ স্থানান্তরের বিষয়টি উঠলেও স্থানীয় মানুষের আবেগ ও রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার কারণে কোনো সরকারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিষয়টি আবার সামনে এসেছে। প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, বিমানবন্দরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। যদিও রাজ্য সরকার সর্বসম্মতির ভিত্তিতে সমাধান চায়।
এদিকে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকের কাছে মসজিদটি শুধু নামাজের স্থান নয়, বরং এলাকার ইতিহাস ও ধর্মীয় আবেগের অংশ। প্রতি বছর ঈদের নামাজে এখানে বিপুল মানুষের সমাগম হয়। ফলে স্থানান্তরের প্রশ্নে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার বিরোধী নন। তবে শতবর্ষের ঐতিহ্য বহনকারী একটি ধর্মীয় স্থাপনা সরানো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিকল্প স্থানে আরও বড় মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দিলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯২৪ সালে কলকাতা বিমানবন্দর চালুর আগেই মসজিদটির অস্তিত্ব ছিল। পরবর্তীতে বিমানবন্দর সম্প্রসারণের সময় আশপাশের বহু জমি অধিগ্রহণ করা হলেও মসজিদটি রয়ে যায়। এমনকি যশোর রোডের পথও পরিবর্তন করা হয়েছিল। সেই থেকে বিমানবন্দরের পাঁচিলের ভেতরে রানওয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছে এ পুরনো স্থাপনাটি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি কেবল নিরাপত্তা নয়; এর সঙ্গে ধর্মীয় অনুভূতি, সংখ্যালঘু আবেগ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত জড়িয়ে আছে। ফলে মসজিদ স্থানান্তরের প্রশ্নে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, কোনো পক্ষের অনুভূতিতে আঘাত না দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এখন দেখার, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় আবেগের ভারসাম্যে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও